Sunday, February 28, 2016

ঈশ্বরদী হাসপাতালে তামাক বিরোধী অভিযান তামাকজাত দ্রব্য ধবংশ








ঈশ্বরদী (পাবনা) সংবাদদাতা ॥
ঈশ্বরদী হাসপাতালে জর্দা, গুল, সাদাপাতা, বিড়ি-সিগারেটসহ তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিষিদ্ধ ঘোষনা করা হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে তামাক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করেছে তামাক বিরোধী নারীজোট ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। গতকাল বুধবার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্ের ও বিভিন্ন স্থানে পরিচালিত এই অভিযান শেষে উদ্ধার করা তামাকজাত দ্রব্য, হাসপাতালে ভর্তি রোগী ও তাদের স্বজনদের নিকট থেকে উদ্ধার করা বিভিন্ন ধরনের তামাকজাত দ্রব্য হাসপাতালের সামনে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংশ করা হয়।
এ অভিযানে তামাক বিরোধী নারী জোট (তাবিনাজ) এর সমন্বয়ক সাইদা আখতার, উবিনীগের সমন্বয়ক জয়নাল আবেদীন খান, ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ আসমা খানম, উপজেলা স্যানেটারী ইন্সপেক্টর সানোয়ার রহমান খোকন, তাবিনাজের সদস্য মাহমুদা বেগম, নাসরিন পারভিন, আরফান আলী, গোলাম মোস্তফা রনি, সাংবাদিক সেলিম সরদার, সেলিম আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
কর্তৃপক্ষ জানান, জর্দা, গুল, সাদাপাতা, বিড়ি-সিগারেটসহ তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার করলে মানব দেহের ব্যাপক ক্ষতি হয়। গলায় বা মুখে ঘা থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের জটিল কঠিন রোগ হয়ে থাকে। আগামী ১৯ মার্চ থেকে তামাকজাত দ্রব্যের প্যাকেট মোড়ক, কার্টুন বা মোড়কের উভয় পাশে সচিত্র সতর্কবানী মুদ্রণ বাধ্যতামূলক করার ঘোষনা দিয়েছে সরকার। 

                                           ঈশ্বরদী বই মেলায় সেলিম আহমেদ’র একক আলোকচিত্র প্রদর্শিত
ঈশ্বরদী উপজেলা ফটো সাংবাদিক এসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক ও ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিম আহমেদের একক অলোকচিত্র ঈশ্বরদীর বই মেলায় প্রদর্শিত হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ফিতা কেটে সেলিম আহমেদের একক আলোকচিত্র প্রদর্শনের উদ্বোধন করেন ঈশ্বরদী পৌরসভার মেয়র আবুল কালাম আজাদ মিন্টু। এসময় উপস্থিত ছিলেন ফটো সাংবাদিক সেলিম আহমেদ, অধ্যাপক উদয়নাথ লাহেড়ী, পৌর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ইসাহক আলী মালিথা, শিল্প ও বণিক সমিতির সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম বাচ্চু ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আব্দুস সালাম খানসহ পৌরসভার কাউন্সিলরবৃন্দ। উদ্বোধন শেষে প্রধান অতিথিসহ উপস্থিত সকলে আলোকচিত্র পরিদর্শন করেন। এরপর ঈশ্বরদী বই মেলায় আগত মানুষের ঢল নামে সাংবাদিক সেলিম আহমেদের একক আলোকচিত্র দেখার জন্য। মন্তব্য খাতায় অনেকেই লিখেছেন ঈশ্বরদীর বই মেলায় এসে সেলিম আহমেদের একক আলোকচিত্রের ছবি দেখে মন ভরে গেছে, মেলায় আসার স্বার্থকতা হয়েছে। কেউ কেউ আবার লিখেছেন সাংবাদিক সেলিম আহমেদের তোলা ছবি দেখে এক নজরে গোটা বাংলাদেশকে দেখা গেছে। এখানে সকল ধরনের ছবি প্রদর্শিত হয়েছে।

একান্ত আলাপচারিতায় সেলিম আহমেদ বলেন, ছোট বেলা থেকেই ছবি তোলার প্রতি সখ ছিল। গণমাধ্যম কর্মী হিসেবে সংবাদপত্রে কাজ করতে এসে ছবি তোলার প্রতি আরও বেশি ঝোক চলে এসেছে। ঈশ্বরদীর বই মেলায় আগত মানুষদের বিনোদনের জন্য বিনা পয়সায় সকলের জন্য আমার একক আলোকচিত্র প্রদর্শন উন্মুক্ত করে দিয়েছি। 

সামছুল হুদা ডিগ্রি কলেজে তথ্য প্রযুক্তি সহায়তায় ৪র্থ তলা ভবন নির্মাণের জন্য প্রকল্প পরিচালক ড. এ বি এম শাহ জালাল এর কলেজ পরিদর্শন

গতকাল শনিবার ২৭.২.১৬ সামছুল হুদা ডিগ্রি কলেজে তথ্য প্রযুক্তি সহায়তায় ৪র্থ তলা ভবন নির্মাণ চলাকালীন সময়ে প্রকল্প পরিচালক ড. এ বি এম শাহ জালাল পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন কালে তিনি কলেজের পরিচালনা পরিষদ, শিক্ষক ও কর্মচারীদের সাথে মতবিনিময় করেন। মতবিনিময় কালে তিনি শিক্ষক-কর্মচারীদের উপস্থিতি, কলেজের পরিবেশ দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং কলেজটির শিক্ষা ব্যবস্থা আগামীতে আরও গতিশীল ও তথ্য প্রযুক্তি সহায়তা সম্পন্ন করার জন্য শিক্ষকদের পরামর্শ দেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী প্রকল্প পরিচালক ড. মনির হোসেন, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার নাজনীন সুলতানা, কলেজের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি এ্যাড. তসলিম হাসান সুমন, কমিটির সদস্য ইয়াছিন আলী শুকুর, দাতা সদস্য সাংবাদিক আব্দুল হামিদ খান, শিক্ষকদের মধ্যে থেকে আক্তার জাহান কল্পনা, সুলতানা গুলেজান্নাত, শাহনাজ মেরী, রতœা খাতুন, কাজী মারুফা, সাজ্জাতুল...

Sunday, February 21, 2016

রণবীরকে এড়িয়ে চলছেন ক্যাটরিনা


রণবীর কাপুরের সঙ্গে ক্যাটরিনা কাইফের ছাড়াছাড়ির বিষয়টা নিয়ে সংবাদমাধ্যমগুলোতে বেশ কদিন তুমুল মাতামাতি ছিল। এরপর উৎসাহ থিতিয়ে গেলে কিছুটা অন্তরালেই চলে গিয়েছিল রণবীর-ক্যাটরিনা প্রসঙ্গ। রণবীরকে ক্যাটরিনা এড়িয়ে চলছেন—সম্প্রতি এমন খবরে আবারও সবাই নড়েচড়ে বসেছেন।
ক্যাটরিনা ও রণবীরের আলাদা বাড়িতে থাকার সংবাদের পর নতুন করে খবর প্রকাশিত হয়েছে যে রণবীর কাপুরকে পুরোপুরি এড়িয়ে চলছেন ক্যাটরিনা কাইফ।
ছাড়াছাড়ি বা বিচ্ছেদের পর কিছুদিন এমন এড়িয়ে চলার বিষয় ঘটতেই পারে। হয়তো দ্বিধা কিংবা সংকোচ; হয়তো বা অভিমান, নয়তো ক্রোধ এসে পথ আগলায় সম্পর্কের মাঝে।
যা-হোক, ক্যাটরিনা-রণবীরের বিচ্ছেদের পর এখন ঠিক কোন অনুভূতি যে কাজ করছে ক্যাটরিনা কাইফের মনে, সেটা স্পষ্ট করে একমাত্র ক্যাটরিনাই বলতে পারবেন।
সম্প্রতি আরতি শেঠির একটি অনুষ্ঠানে দাওয়াত পেয়েছিলেন ক্যাটরিনা। আরতি ক্যাটরিনা ও রণবীর এই দুজনের খুবই ঘনিষ্ঠ। আর স্বাভাবিকভাবেই সে অনুষ্ঠানে রণবীরও ছিলেন আমন্ত্রিত। রণবীরের সঙ্গে মুখোমুখি দেখা হয়ে যাবে ভেবেই সম্ভবত ওই অনুষ্ঠানে যাননি ক্যাটরিনা কাইফ।
এর আগে বিচ্ছেদের ঠিক পরপর অনুরাগ বসুর ‘জগ্গা জাসুস’ ছবির শুটিংয়েও আলাদাভাবে নিজেদের অংশের শুটিং করেছিলেন ক্যাটরিনা ও রণবীর। শুটিংয়ের সময়েও একই ভ্যানিটি ভ্যান ব্যবহার করেননি তাঁরা। একটি সূত্র সে সময় জানিয়েছিল, এ ছবির জন্য রণবীর কাপুর আলাদাভাবে তাঁর দৃশ্যগুলোতে অভিনয় করেন। একটি দৃশ্য ছিল দুজনের একসঙ্গে। সেই দৃশ্য তাঁরা করেছেন বটে, কিন্তু শুটিং ছাড়া আর কোনো কথাবার্তাই হয়নি তাঁদের মধ্যে।
ছবির শুটিং চলছিল জানুয়ারির শুরুতেই। গত ৮ জানুয়ারি ক্যাটরিনা মুম্বাই থেকে খানিক দূরের এক স্টুডিওতে সালমান খানের সঙ্গে দেখা করেন। কথা বলেন। রণবীর এ সময় ছবির শুটিং চালিয়ে যান। ১৮ জানুয়ারি রণবীর আর ক্যাটরিনা আলাদাভাবে আসেন। তাঁরা একে অন্যের দিকে তাকাননি পর্যন্ত। এনডিটিভি। টাইমস অব ইন্ডিয়া।

প্রীতির বিয়ে পেছাল!







এই ফেব্রুয়ারিতেই বিয়ের অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল বলিউডের তারকা প্রীতি জিনতার। সেই বিয়ে মাস খানেক পিছিয়ে এখন হবে এপ্রিলে। প্রীতির ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছে, এ বছরের এপ্রিল মাসের কোনো একসময়ে বিয়ে করবেন প্রীতি। পাত্র সেই জিন গুডএনাফ।
এর আগে বলিউডের তারকা প্রীতি জিনতা টুইটারে লিখেছিলেন, ‘জানুয়ারিতে বিয়ে করছি না। অন্তত এক বছর এ নিয়ে কোনো আলোচনা শুনতে চাই না..., প্লিজ।’
সে সময় সম্ভবত বিরক্ত হয়েই এই টুইট করেছিলেন প্রীতি।
এ ছাড়া বলিউডের কয়েকটি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছিল, প্রীতি নিজেই নাকি তাঁর বন্ধুদের ফোন করে বিয়ের বিষয়টি জানিয়েছিলেন। ১২ থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি ছিল বিয়ের তারিখ।
যা-হোক, সেই তারিখ বদলে এখন হয়েছে এপ্রিল। যদিও নির্দিষ্ট দিনক্ষণের কথা এখন পর্যন্ত কেউই জানাতে পারেনি। কিন্তু বিয়ের অনুষ্ঠানটি সেই আগের নির্ধারিত জায়গাতেই হচ্ছে। অর্থাৎ মার্কিন মুলুকের লস অ্যাঞ্জেলেসে।
সেখানে গির্জায় একেবারে ঘরোয়া আয়োজনে হবে আনুষ্ঠানিকতা। অবশ্য একটি সূত্র জানিয়েছে, লস অ্যাঞ্জেলেসের অনুষ্ঠানটির পর মুম্বাইয়ে প্রীতি-জিনের বিয়ের অনুষ্ঠান হবে।
সূত্রটি জানিয়েছে, গির্জায় যে অনুষ্ঠানটা হবে, সেটি আয়োজিত হবে খুব ঘনিষ্ঠজনদের নিয়েই। প্রীতি আর জিনের পরিবারের সদস্যরা ছাড়া বড়জোর দুই-চারজন ঘনিষ্ঠ বন্ধু সেখানে থাকবেন। তবে প্রীতির বিবাহোত্তর সংবর্ধনার অনুষ্ঠান হবে মুম্বাইতেই। রাজপুত ঐতিহ্যের রীতি-রেওয়াজ মেনেই।
প্রসঙ্গত, নেস ওয়াদিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর যুবরাজ সিংহের সঙ্গেও প্রীতির সম্পর্কের গুজব রটেছিল। এনডিটিভি।
নকল বন্ধ করার ফল?‌ ভারতের উত্তরপ্রদেশে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের বোর্ড পরীক্ষায় বসল না ৭ লাখ ৪২ হাজার পরীক্ষার্থী!‌
উত্তরপ্রদেশ মাধ্যমিক শিক্ষা পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরীক্ষায় নকল রুখতে বিশেষ মোবাইল অ্যাপ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। সম্ভবত তার জেরেই এই বিপুল অনুপস্থিতি। উল্লেখ্য, উত্তরপ্রদেশের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৬৮ লাখ, যা বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। কিন্তু শুক্রবার পরীক্ষার প্রথম দিনে ১১,৬৬৭টি পরীক্ষাকেন্দ্র রিপোর্ট জমা দিলে দেখা যায়, উচ্চমাধ্যমিক স্তরের ২ লক্ষ ৮৮ হাজার ও মাধ্যমিক স্তরের ৪ লাখ ৫৪ হাজার পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়নি।
উত্তরপ্রদেশ মাধ্যমিক শিক্ষা পরিষদের ডেপুটি সেক্রেটারি অরবিন্দ পান্ডে জানিয়েছেন, মিরাট ও গাজিপুর জেলায় সবথেকে বেশি সংখ্যক পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। দুই জেলা মিলিয়ে প্রায় ৭২ হাজার পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়নি। বরেলি ও বালিয়া মিলিয়ে সংখ্যাটা ছিল ৬৮ হাজার, এলাহাবাদে ৩২ হাজার ও আগ্রায় ২২ হাজার পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। অন্যদিকে, লক্ষ্ণৌতে সাড়ে ৪ হাজার ও বারাণসীতে ১০ হাজার ৭০০ পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়নি। বিহার, উত্তরপ্রদেশে পরীক্ষায় অবাধ টোকাটুকি নিয়ে সংবাদমাধ্যম বার বার সরব হয়েছে। এবার পরীক্ষাকেন্দ্রে টুকলি রুখতে বিশেষ প্রযুক্তির সাহায্য নেয় সরকার। নেওয়া হয় অনলাইন রেজিস্ট্রেশন ব্যবস্থা। তাতে ভুয়ো পরীক্ষার্থী এবং টোকাটুকির রমরমা কমেছে।‌ - See more at: http://www.dailynayadiganta.com/detail/news/95648#sthash.xnXuZK2l.dpuf
নকল বন্ধ করার ফল?‌ ভারতের উত্তরপ্রদেশে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের বোর্ড পরীক্ষায় বসল না ৭ লাখ ৪২ হাজার পরীক্ষার্থী!‌
উত্তরপ্রদেশ মাধ্যমিক শিক্ষা পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরীক্ষায় নকল রুখতে বিশেষ মোবাইল অ্যাপ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। সম্ভবত তার জেরেই এই বিপুল অনুপস্থিতি। উল্লেখ্য, উত্তরপ্রদেশের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৬৮ লাখ, যা বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। কিন্তু শুক্রবার পরীক্ষার প্রথম দিনে ১১,৬৬৭টি পরীক্ষাকেন্দ্র রিপোর্ট জমা দিলে দেখা যায়, উচ্চমাধ্যমিক স্তরের ২ লক্ষ ৮৮ হাজার ও মাধ্যমিক স্তরের ৪ লাখ ৫৪ হাজার পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়নি।
উত্তরপ্রদেশ মাধ্যমিক শিক্ষা পরিষদের ডেপুটি সেক্রেটারি অরবিন্দ পান্ডে জানিয়েছেন, মিরাট ও গাজিপুর জেলায় সবথেকে বেশি সংখ্যক পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। দুই জেলা মিলিয়ে প্রায় ৭২ হাজার পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়নি। বরেলি ও বালিয়া মিলিয়ে সংখ্যাটা ছিল ৬৮ হাজার, এলাহাবাদে ৩২ হাজার ও আগ্রায় ২২ হাজার পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। অন্যদিকে, লক্ষ্ণৌতে সাড়ে ৪ হাজার ও বারাণসীতে ১০ হাজার ৭০০ পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়নি। বিহার, উত্তরপ্রদেশে পরীক্ষায় অবাধ টোকাটুকি নিয়ে সংবাদমাধ্যম বার বার সরব হয়েছে। এবার পরীক্ষাকেন্দ্রে টুকলি রুখতে বিশেষ প্রযুক্তির সাহায্য নেয় সরকার। নেওয়া হয় অনলাইন রেজিস্ট্রেশন ব্যবস্থা। তাতে ভুয়ো পরীক্ষার্থী এবং টোকাটুকির রমরমা কমেছে।‌ - See more at: http://www.dailynayadiganta.com/detail/news/95648#sthash.xnXuZK2l.dpuf
নকল বন্ধ করার ফল?‌ ভারতের উত্তরপ্রদেশে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের বোর্ড পরীক্ষায় বসল না ৭ লাখ ৪২ হাজার পরীক্ষার্থী!‌
উত্তরপ্রদেশ মাধ্যমিক শিক্ষা পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরীক্ষায় নকল রুখতে বিশেষ মোবাইল অ্যাপ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। সম্ভবত তার জেরেই এই বিপুল অনুপস্থিতি। উল্লেখ্য, উত্তরপ্রদেশের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৬৮ লাখ, যা বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। কিন্তু শুক্রবার পরীক্ষার প্রথম দিনে ১১,৬৬৭টি পরীক্ষাকেন্দ্র রিপোর্ট জমা দিলে দেখা যায়, উচ্চমাধ্যমিক স্তরের ২ লক্ষ ৮৮ হাজার ও মাধ্যমিক স্তরের ৪ লাখ ৫৪ হাজার পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়নি।
উত্তরপ্রদেশ মাধ্যমিক শিক্ষা পরিষদের ডেপুটি সেক্রেটারি অরবিন্দ পান্ডে জানিয়েছেন, মিরাট ও গাজিপুর জেলায় সবথেকে বেশি সংখ্যক পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। দুই জেলা মিলিয়ে প্রায় ৭২ হাজার পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়নি। বরেলি ও বালিয়া মিলিয়ে সংখ্যাটা ছিল ৬৮ হাজার, এলাহাবাদে ৩২ হাজার ও আগ্রায় ২২ হাজার পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। অন্যদিকে, লক্ষ্ণৌতে সাড়ে ৪ হাজার ও বারাণসীতে ১০ হাজার ৭০০ পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়নি। বিহার, উত্তরপ্রদেশে পরীক্ষায় অবাধ টোকাটুকি নিয়ে সংবাদমাধ্যম বার বার সরব হয়েছে। এবার পরীক্ষাকেন্দ্রে টুকলি রুখতে বিশেষ প্রযুক্তির সাহায্য নেয় সরকার। নেওয়া হয় অনলাইন রেজিস্ট্রেশন ব্যবস্থা। তাতে ভুয়ো পরীক্ষার্থী এবং টোকাটুকির রমরমা কমেছে।‌ - See more at: http://www.dailynayadiganta.com/detail/news/95648#sthash.xnXuZK2l.dpuf
নকল বন্ধ করার ফল?‌ ভারতের উত্তরপ্রদেশে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের বোর্ড পরীক্ষায় বসল না ৭ লাখ ৪২ হাজার পরীক্ষার্থী!‌
উত্তরপ্রদেশ মাধ্যমিক শিক্ষা পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরীক্ষায় নকল রুখতে বিশেষ মোবাইল অ্যাপ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। সম্ভবত তার জেরেই এই বিপুল অনুপস্থিতি। উল্লেখ্য, উত্তরপ্রদেশের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৬৮ লাখ, যা বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। কিন্তু শুক্রবার পরীক্ষার প্রথম দিনে ১১,৬৬৭টি পরীক্ষাকেন্দ্র রিপোর্ট জমা দিলে দেখা যায়, উচ্চমাধ্যমিক স্তরের ২ লক্ষ ৮৮ হাজার ও মাধ্যমিক স্তরের ৪ লাখ ৫৪ হাজার পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়নি।
উত্তরপ্রদেশ মাধ্যমিক শিক্ষা পরিষদের ডেপুটি সেক্রেটারি অরবিন্দ পান্ডে জানিয়েছেন, মিরাট ও গাজিপুর জেলায় সবথেকে বেশি সংখ্যক পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। দুই জেলা মিলিয়ে প্রায় ৭২ হাজার পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়নি। বরেলি ও বালিয়া মিলিয়ে সংখ্যাটা ছিল ৬৮ হাজার, এলাহাবাদে ৩২ হাজার ও আগ্রায় ২২ হাজার পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। অন্যদিকে, লক্ষ্ণৌতে সাড়ে ৪ হাজার ও বারাণসীতে ১০ হাজার ৭০০ পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়নি। বিহার, উত্তরপ্রদেশে পরীক্ষায় অবাধ টোকাটুকি নিয়ে সংবাদমাধ্যম বার বার সরব হয়েছে। এবার পরীক্ষাকেন্দ্রে টুকলি রুখতে বিশেষ প্রযুক্তির সাহায্য নেয় সরকার। নেওয়া হয় অনলাইন রেজিস্ট্রেশন ব্যবস্থা। তাতে ভুয়ো পরীক্ষার্থী এবং টোকাটুকির রমরমা কমেছে।‌ - See more at: http://www.dailynayadiganta.com/detail/news/95648#sthash.xnXuZK2l.dpuf
নকল বন্ধ করার ফল?‌ ভারতের উত্তরপ্রদেশে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের বোর্ড পরীক্ষায় বসল না ৭ লাখ ৪২ হাজার পরীক্ষার্থী!‌
উত্তরপ্রদেশ মাধ্যমিক শিক্ষা পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরীক্ষায় নকল রুখতে বিশেষ মোবাইল অ্যাপ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। সম্ভবত তার জেরেই এই বিপুল অনুপস্থিতি। উল্লেখ্য, উত্তরপ্রদেশের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৬৮ লাখ, যা বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। কিন্তু শুক্রবার পরীক্ষার প্রথম দিনে ১১,৬৬৭টি পরীক্ষাকেন্দ্র রিপোর্ট জমা দিলে দেখা যায়, উচ্চমাধ্যমিক স্তরের ২ লক্ষ ৮৮ হাজার ও মাধ্যমিক স্তরের ৪ লাখ ৫৪ হাজার পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়নি।
উত্তরপ্রদেশ মাধ্যমিক শিক্ষা পরিষদের ডেপুটি সেক্রেটারি অরবিন্দ পান্ডে জানিয়েছেন, মিরাট ও গাজিপুর জেলায় সবথেকে বেশি সংখ্যক পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। দুই জেলা মিলিয়ে প্রায় ৭২ হাজার পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়নি। বরেলি ও বালিয়া মিলিয়ে সংখ্যাটা ছিল ৬৮ হাজার, এলাহাবাদে ৩২ হাজার ও আগ্রায় ২২ হাজার পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। অন্যদিকে, লক্ষ্ণৌতে সাড়ে ৪ হাজার ও বারাণসীতে ১০ হাজার ৭০০ পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়নি। বিহার, উত্তরপ্রদেশে পরীক্ষায় অবাধ টোকাটুকি নিয়ে সংবাদমাধ্যম বার বার সরব হয়েছে। এবার পরীক্ষাকেন্দ্রে টুকলি রুখতে বিশেষ প্রযুক্তির সাহায্য নেয় সরকার। নেওয়া হয় অনলাইন রেজিস্ট্রেশন ব্যবস্থা। তাতে ভুয়ো পরীক্ষার্থী এবং টোকাটুকির রমরমা কমেছে।‌ - See more at: http://www.dailynayadiganta.com/detail/news/95648#sthash.xnXuZK2l.dpuf
নকল বন্ধ করার ফল?‌ ভারতের উত্তরপ্রদেশে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের বোর্ড পরীক্ষায় বসল না ৭ লাখ ৪২ হাজার পরীক্ষার্থী!‌
উত্তরপ্রদেশ মাধ্যমিক শিক্ষা পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরীক্ষায় নকল রুখতে বিশেষ মোবাইল অ্যাপ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। সম্ভবত তার জেরেই এই বিপুল অনুপস্থিতি। উল্লেখ্য, উত্তরপ্রদেশের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৬৮ লাখ, যা বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। কিন্তু শুক্রবার পরীক্ষার প্রথম দিনে ১১,৬৬৭টি পরীক্ষাকেন্দ্র রিপোর্ট জমা দিলে দেখা যায়, উচ্চমাধ্যমিক স্তরের ২ লক্ষ ৮৮ হাজার ও মাধ্যমিক স্তরের ৪ লাখ ৫৪ হাজার পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়নি।
উত্তরপ্রদেশ মাধ্যমিক শিক্ষা পরিষদের ডেপুটি সেক্রেটারি অরবিন্দ পান্ডে জানিয়েছেন, মিরাট ও গাজিপুর জেলায় সবথেকে বেশি সংখ্যক পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। দুই জেলা মিলিয়ে প্রায় ৭২ হাজার পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়নি। বরেলি ও বালিয়া মিলিয়ে সংখ্যাটা ছিল ৬৮ হাজার, এলাহাবাদে ৩২ হাজার ও আগ্রায় ২২ হাজার পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। অন্যদিকে, লক্ষ্ণৌতে সাড়ে ৪ হাজার ও বারাণসীতে ১০ হাজার ৭০০ পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়নি। বিহার, উত্তরপ্রদেশে পরীক্ষায় অবাধ টোকাটুকি নিয়ে সংবাদমাধ্যম বার বার সরব হয়েছে। এবার পরীক্ষাকেন্দ্রে টুকলি রুখতে বিশেষ প্রযুক্তির সাহায্য নেয় সরকার। নেওয়া হয় অনলাইন রেজিস্ট্রেশন ব্যবস্থা। তাতে ভুয়ো পরীক্ষার্থী এবং টোকাটুকির রমরমা কমেছে।‌ - See more at: http://www.dailynayadiganta.com/detail/news/95648#sthash.xnXuZK2l.dpuf
নকল বন্ধ করার ফল?‌ ভারতের উত্তরপ্রদেশে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের বোর্ড পরীক্ষায় বসল না ৭ লাখ ৪২ হাজার পরীক্ষার্থী!‌
উত্তরপ্রদেশ মাধ্যমিক শিক্ষা পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরীক্ষায় নকল রুখতে বিশেষ মোবাইল অ্যাপ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। সম্ভবত তার জেরেই এই বিপুল অনুপস্থিতি। উল্লেখ্য, উত্তরপ্রদেশের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৬৮ লাখ, যা বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। কিন্তু শুক্রবার পরীক্ষার প্রথম দিনে ১১,৬৬৭টি পরীক্ষাকেন্দ্র রিপোর্ট জমা দিলে দেখা যায়, উচ্চমাধ্যমিক স্তরের ২ লক্ষ ৮৮ হাজার ও মাধ্যমিক স্তরের ৪ লাখ ৫৪ হাজার পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়নি।
উত্তরপ্রদেশ মাধ্যমিক শিক্ষা পরিষদের ডেপুটি সেক্রেটারি অরবিন্দ পান্ডে জানিয়েছেন, মিরাট ও গাজিপুর জেলায় সবথেকে বেশি সংখ্যক পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। দুই জেলা মিলিয়ে প্রায় ৭২ হাজার পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়নি। বরেলি ও বালিয়া মিলিয়ে সংখ্যাটা ছিল ৬৮ হাজার, এলাহাবাদে ৩২ হাজার ও আগ্রায় ২২ হাজার পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। অন্যদিকে, লক্ষ্ণৌতে সাড়ে ৪ হাজার ও বারাণসীতে ১০ হাজার ৭০০ পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়নি। বিহার, উত্তরপ্রদেশে পরীক্ষায় অবাধ টোকাটুকি নিয়ে সংবাদমাধ্যম বার বার সরব হয়েছে। এবার পরীক্ষাকেন্দ্রে টুকলি রুখতে বিশেষ প্রযুক্তির সাহায্য নেয় সরকার। নেওয়া হয় অনলাইন রেজিস্ট্রেশন ব্যবস্থা। তাতে ভুয়ো পরীক্ষার্থী এবং টোকাটুকির রমরমা কমেছে।‌ - See more at: http://www.dailynayadiganta.com/detail/news/95648#sthash.xnXuZK2l.dpuf
নকল বন্ধ করার ফল?‌ ভারতের উত্তরপ্রদেশে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের বোর্ড পরীক্ষায় বসল না ৭ লাখ ৪২ হাজার পরীক্ষার্থী!‌
উত্তরপ্রদেশ মাধ্যমিক শিক্ষা পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরীক্ষায় নকল রুখতে বিশেষ মোবাইল অ্যাপ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। সম্ভবত তার জেরেই এই বিপুল অনুপস্থিতি। উল্লেখ্য, উত্তরপ্রদেশের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৬৮ লাখ, যা বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। কিন্তু শুক্রবার পরীক্ষার প্রথম দিনে ১১,৬৬৭টি পরীক্ষাকেন্দ্র রিপোর্ট জমা দিলে দেখা যায়, উচ্চমাধ্যমিক স্তরের ২ লক্ষ ৮৮ হাজার ও মাধ্যমিক স্তরের ৪ লাখ ৫৪ হাজার পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়নি।
উত্তরপ্রদেশ মাধ্যমিক শিক্ষা পরিষদের ডেপুটি সেক্রেটারি অরবিন্দ পান্ডে জানিয়েছেন, মিরাট ও গাজিপুর জেলায় সবথেকে বেশি সংখ্যক পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। দুই জেলা মিলিয়ে প্রায় ৭২ হাজার পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়নি। বরেলি ও বালিয়া মিলিয়ে সংখ্যাটা ছিল ৬৮ হাজার, এলাহাবাদে ৩২ হাজার ও আগ্রায় ২২ হাজার পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। অন্যদিকে, লক্ষ্ণৌতে সাড়ে ৪ হাজার ও বারাণসীতে ১০ হাজার ৭০০ পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়নি। বিহার, উত্তরপ্রদেশে পরীক্ষায় অবাধ টোকাটুকি নিয়ে সংবাদমাধ্যম বার বার সরব হয়েছে। এবার পরীক্ষাকেন্দ্রে টুকলি রুখতে বিশেষ প্রযুক্তির সাহায্য নেয় সরকার। নেওয়া হয় অনলাইন রেজিস্ট্রেশন ব্যবস্থা। তাতে ভুয়ো পরীক্ষার্থী এবং টোকাটুকির রমরমা কমেছে।‌ - See more at: http://www.dailynayadiganta.com/detail/news/95648#sthash.xnXuZK2l.dpuf
নকল বন্ধ করার ফল?‌ ভারতের উত্তরপ্রদেশে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের বোর্ড পরীক্ষায় বসল না ৭ লাখ ৪২ হাজার পরীক্ষার্থী!‌
উত্তরপ্রদেশ মাধ্যমিক শিক্ষা পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরীক্ষায় নকল রুখতে বিশেষ মোবাইল অ্যাপ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। সম্ভবত তার জেরেই এই বিপুল অনুপস্থিতি। উল্লেখ্য, উত্তরপ্রদেশের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৬৮ লাখ, যা বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। কিন্তু শুক্রবার পরীক্ষার প্রথম দিনে ১১,৬৬৭টি পরীক্ষাকেন্দ্র রিপোর্ট জমা দিলে দেখা যায়, উচ্চমাধ্যমিক স্তরের ২ লক্ষ ৮৮ হাজার ও মাধ্যমিক স্তরের ৪ লাখ ৫৪ হাজার পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়নি।
উত্তরপ্রদেশ মাধ্যমিক শিক্ষা পরিষদের ডেপুটি সেক্রেটারি অরবিন্দ পান্ডে জানিয়েছেন, মিরাট ও গাজিপুর জেলায় সবথেকে বেশি সংখ্যক পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। দুই জেলা মিলিয়ে প্রায় ৭২ হাজার পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়নি। বরেলি ও বালিয়া মিলিয়ে সংখ্যাটা ছিল ৬৮ হাজার, এলাহাবাদে ৩২ হাজার ও আগ্রায় ২২ হাজার পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। অন্যদিকে, লক্ষ্ণৌতে সাড়ে ৪ হাজার ও বারাণসীতে ১০ হাজার ৭০০ পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়নি। বিহার, উত্তরপ্রদেশে পরীক্ষায় অবাধ টোকাটুকি নিয়ে সংবাদমাধ্যম বার বার সরব হয়েছে। এবার পরীক্ষাকেন্দ্রে টুকলি রুখতে বিশেষ প্রযুক্তির সাহায্য নেয় সরকার। নেওয়া হয় অনলাইন রেজিস্ট্রেশন ব্যবস্থা। তাতে ভুয়ো পরীক্ষার্থী এবং টোকাটুকির রমরমা কমেছে।‌ - See more at: http://www.dailynayadiganta.com/detail/news/95648#sthash.xnXuZK2l.dpuf

Saturday, February 20, 2016

রাঙা পলাশে শহীদ স্মরণ


শিমুলে পলাশে রাঙা বাংলার দিগন্ত। গাছে গাছে নবীন পাতার গুচ্ছ। প্রকৃতিতে যখন নবীনের উন্মেষের আনন্দ-উচ্ছ্বাস, তখনই এক মর্মমূল ছেঁড়া বেদনার ঘটনা ঘটেছিল এই বাংলায়। আজ থেকে ৬৪ বছর আগে। মায়ের ভাষার অধিকার রক্ষার দাবিতে শাসকের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে অকুতোভয় বীর সন্তানেরা নেমে এসেছিলেন রাজপথে। বুকের তাজা রক্তে বসন্তের রাঙা ফুলের মতোই রাঙিয়ে দিয়েছিলেন ঢাকার রাজপথ। মাতৃভাষার দাবিতে আত্মদানের এক অভূতপূর্ব অধ্যায় সেদিন সংযোজিত হয়েছিল মানব ইতিহাসে। আজ রোববার সেই অনন্য স্মৃতিধন্য দিন। অমর একুশে ফেব্রুয়ারি। মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।
মাতৃভাষার জন্য বাঙালির আত্মদানের এই অতুলনীয় ঘটনা স্বীকৃত হয়েছে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে। ১৯৯৯ সালে ইউনেসকো ২১ ফেব্রুয়ারিকে ঘোষণা করে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে। আজ বাঙালির সঙ্গে সারা বিশ্বেই দিনটি পালিত হচ্ছে।
দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত পাকিস্তান রাষ্ট্রের সংখ্যালঘু পশ্চিমা শাসকেরা শুরু থকেই দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ বাঙালিদের ওপর শাসন-শোষণের চক্রান্ত শুরু করে। তারা আঘাত হানে বাঙালির মাতৃভাষার ওপর। একতরফাভাবে উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা ঘোষণা করায় পূর্ব বাংলায় গড়ে ওঠে বিপুল আন্দোলন। ১৯৪৮ থেকে ভাষা
আন্দোলন এগিয়ে যায় ধাপে ধাপে। চূড়ান্ত পর্যায়ে উপনীত হয় ১৯৫২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ঢাকায় ১৪৪ ধারা ভেঙে ছাত্র-জনতা রাজপথে বিক্ষোভ মিছিলে নামলে। সেই মিছিলে গুলি করা হলে সালাম, বরকত, রফিক, সফিউর, জব্বারসহ নাম না জানা বীর সন্তানদের রক্তে রঞ্জিত হয় রাজপথ। এই ঘটনা ভাষা আন্দোলনকে আরও বেগবান করে তোলে। অবশেষে ১৯৫৬ সালে শাসকগোষ্ঠী নতিস্বীকার করে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দিতে বাধ্য হয়।
আজ কৃতজ্ঞ জাতি বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করবে ভাষাশহীদদের। তাঁদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে নিবেদন করা ফুলে ফুলে ভরে উঠবে সারা দেশের শহীদ মিনারের বেদি। প্রভাতফেরিতে সবার কণ্ঠে থাকবে সেই চিরচেনা গান ‘আমার ভায়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি/আমি কি ভুলিতে পারি...।’ ঢাকায় শহীদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের পর অনেকেই যাবেন আজিমপুর কবরস্থানে শহীদের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও তাঁদের রুহের মাগফিরাত কামনা করতে।
বাণী: মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে এবং তাঁদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেছেন। তাঁরা পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছেন।
রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ তাঁর বাণীতে বলেন, ‘আমরা গর্ববোধ করি এই ভেবে যে, অমর একুশের চেতনা আজ দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন ভাষাভাষী মানুষের নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতি রক্ষায় অনুপ্রেরণা জোগাচ্ছে। আমাদের শহীদ দিবস এখন বিশ্বজুড়ে স্বকীয়তা রক্ষার চেতনার উৎস। এই চেতনাকে ধারণ করে পৃথিবীর সব ভাষাভাষী মানুষের সঙ্গে যোগসূত্র স্থাপিত হবে, লুপ্তপ্রায় ভাষাগুলো আপন মহিমায় নিজ নিজ সম্প্রদায়ের মধ্যে উজ্জীবিত হবে।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর বাণীতে বলেন, ‘অমর একুশে আমাদের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, বাঙালি জাতীয়তাবাদ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং ধর্মনিরপেক্ষতার প্রতীক। বর্তমান সরকার একুশের চেতনা ও মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধকে ধারণ করে ক্ষুধা, দারিদ্র্য, সাম্প্রদায়িকতা ও নিরক্ষরতামুক্ত আধুনিক ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।’
বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া তাঁর বাণীতে বলেছেন, ‘একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের জাতীয় জীবনের এক তাৎপর্যময় দিন। ভাষাশহীদদের মহিমান্বিত আত্মত্যাগের বিনিময়েই রচিত হয়েছে আমাদের জাতীয় মুক্তি আন্দোলনের প্রথম সোপান।’

ঈশ্বরদীতে ব্যাংক এশিয়ার উচ্চ শিক্ষা বৃত্তি প্রদান



ঈশ্বরদীতে ব্যাংক এশিয়া মেধাবী ও আর্থিক অস্বচ্ছল শিক্ষার্থীদের ইক্ষু গবেষণা মিলনায়তনে গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে ১২ জন শিক্ষার্থীকে উচ্চ শিক্ষা বৃত্তি প্রদান  করেন। ব্যাংক এশিয়ার উচ্চ শিক্ষা বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বৃত্তি প্রদান করেন মোঃ মেহমুদ হোসেন প্রেসিডেন্ট ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ব্যাংক এশিয়া লিমিটেড।

ব্যাংক এশিয়া ঈশ্বরদীর শাখা ব্যবস্থাপক শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে¡ উচ্চ শিক্ষা বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ব্যাংক এশিয়ার সিনিয়র এক্্িরকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট বরুন কান্তি সাহা, ইক্ষুগবেষণা ইনষ্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. আমজাদ হোসেন, ঈশ্বরদী পৌরসভার নব-নির্বাচিত মেয়র আবুল কালাম আজাদ মিন্টু। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ব্যাংক এশিয়া রাজশাহীর শাখা ব্যবস্থাপক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, কুষ্টিয়ার শাখা ব্যবস্থাপক মোঃ আলী আহসান, ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক এসএম ফজলুর রহমানসহ ব্যাংক এশিয়া ঈশ্বরদী শাখার গ্রাহকবৃন্দ। ১২ জন শিক্ষার্থীকে বই কেনার জন্য প্রতি বছর এককালীন ১০ হাজার নগদ টাকা প্রদান করেন এবং মাসিক দুই হাজার টাকা করে পড়াশুনার খরচের জন্য প্রদান করা হবে। অনুষ্ঠানে সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন আসমা আকতার সিনিয়র অফিসার ব্যাংক এশিয়া লিমিটেড।
বক্তারা বলেন, নিরন্তর নিঃস্বার্থ প্রচেষ্টা আর সময়োপযোগী পদক্ষেপে ঘটে ইতিহাসের পরিবর্তন। এই দর্শনকে সামনে রেখে ব্যাংক এশিয়া প্রবর্তন করেছে ব্যাংক এশিয়া উচ্চ শিক্ষা বৃত্তি। আমাদের বৃত্তি প্রদানের অর্থ যত সামান্য হলেও এটা শিক্ষার্থীদের অনেক কাজে আসবে। ২০০৫ সাল থেকে অধ্যাবধি এই বৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে। ২০১০ সাল থেকে ঈশ্বরদীর ১১১ জন শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদান করা হয়েছে। শীতার্ত অসহায় মানুষদের শীতবস্ত্র কম্বল বিতরণ করা হয়ে থাকে। এছাড়া পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠির শিক্ষার্থীদের পড়াশুনার জন্য গ্রামের স্কুল গুলোকে সহযোগিতা প্রদান করা হয়।
একই সাথে জন্মান্ধ শিশুদের চিকিৎসার দায় ভার ব্যাংক এশিয়া নিয়ে থাকে। আপনাদের আশেপাশে এমন কোন জন্মান্ধ শিশু থাকলে স্থানীয় ব্যাংক এশিয়ার ব্যবস্থাপকের সাথে যোগাযোগ করে দেয়ার আহ্বান জানান। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে আরও বলেন, আজকে যাদের উচ্চ বৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে তোমরা সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে আগামীতে এদেশের জন্য কাজ করবে। ব্যবসায়ীদের সহযোগিতায় তোমাদের বৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে। তাই তোমরা সম্মানীত সকল ব্যবসায়ীদের সন্মান করবে। ব্যাংক এশিয়ার পাশাপাশি দেশের অন্যান্য লাভজনক প্রতিষ্ঠানকে বৃত্তি প্রদানে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান এবং ব্যাংক এশিয়া আগামীতেও যেন এর ধারাবাহিকতা বজায় রাখে বলে বক্তারা এ কথা বলেন।