Saturday, September 3, 2016

দাশুড়িয়া মদিনাতুল উলুম আলিম মাদরাসায় সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদবিরোধী কর্মসূচী পালনঃ




শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক ঘোষিত ৩রা সেপ্টেম্বর ২০১৬ ইং তারিখে দেশব্যাপী সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ বিরোধী কর্মসূচীর অংশ হিসেবে দাশুড়িয়া মদিনাতুল উলুম আলিম মাদরাসায় সকল শিক্ষক শিক্ষকা ,কর্মচারী ও ছাত্রছাত্রীবৃন্দ স্বতঃস্ফূর্তার সাথে র‌্যালি, মানববন্ধন ও পথসভা পালন করা হয়।পরিশেষে অত্র প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মহোদয়ের সভাপতিত্বে ম্যানেজিং কমিটির সকল সদস্যবৃন্দ এলাকার বিশিষ্টজন ও গনমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সাথে এক সচেতনতামূলক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। উক্ত আলোচনায় সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদবিরোধী সচেতনতা সৃষ্টি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপ¯ি’তি নিশ্চিতকরণ বিষয়ে আলোচনা করা হয়। একই সঙ্গে নিয়মিতভাবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান -ক্রীড়ানুষ্ঠান, স্কাউটিং ও গার্ল গাইড্স কার্যক্রম বৃদ্ধি করে শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ তৈরীর বিষয়েও আলোকপাত করা হয়।

Saturday, August 6, 2016

ঈশ্বরদীতে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস বিরোধী মানববন্ধন ও পথসভা অনুষ্ঠিত





ঈশ্বরদীতে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসের প্রতিবাদে সাঁড়া ঝাউদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়, আবুল হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়, ভাষা শহিদ বিদ্যা নিকেতন, ঈশ্বরদী মহিলা কলেজ ও পূর্বটেংরী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিÿা প্রতিষ্ঠানের শিÿক ও শিÿার্থীরা গতকাল সোমবার সকাল থেকে বিভিন্ন সময়ে মানব বন্ধন ও পথসভা করেন।
বক্তারা বলেন, জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসীরা কোন দলের নয়। এরা তাদের নিজেদের স্বার্থের জন্য ধর্মের নাম দিয়ে মানুষ হত্যা করে চলেছে। সমাবেশে বক্তারা বলেন, ধর্মান্ধতা বা ধর্ম সম্পর্কে ভালোভাবে না জানা এবং না বোঝার কারণেই কোমলমতি শিক্ষার্থীরা জঙ্গিবাদে জড়িয়ে পড়ছে। সন্ত্মানের প্রতি পিতামাতার অমনোযোগিতা এবং তাদের কাজকর্মে খোঁজ-খবর না রাখা এজন্য দায়ী। বক্তারা এসময় পিতামাতাও অভিভাবকদের তাদের সন্ত্মানদের প্রতি দায়িত্বশীল হওয়ার আহব্বান জানান। আইন-শৃংখলা রক্ষাকারি বাহিনীর পাশাপাশি স্থানীয় সরকার প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, রাজনীতিবিদ ও সিভিল সোসাইটির সম্মিলিত উদ্যোগে জঙ্গিবাদ নির্মূল করার সমন্বিত কার্যক্রমে সহযোগিতার জন্য সকলকে এগিয়ে আসার শিক্ষকরা অনুরোধ জানিয়েছেন।

জনাব হাবিবুর রহমান হাবিব কে বিএনপি'র চেয়ারর্পাসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্ঠায় মনোনীত।

পাবনা ৪ আসন ও ঈশ্বরদী আটঘরিয়ার নেতা জনাব হাবিবুর রহমান হাবিব কে বিএনপি'র চেয়ারর্পাসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্ঠা (৫০নং) মনোনীত হয়েছে।

ইশ্বরদীর নওদাপাড়ায় আবাশন প্রকলপের উদ্বোধন

মাননিয় ভুমি মন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ ডিলু  আজ ৪//৮/২০১৬ ইং তাং পাবনা জেলার ইশ্বরদী থানার দাশুরিয়া, নওদাপাড়াতে ভুমিহিনদের জন্য  প্রধান মন্ত্রির 




আবাশন প্রকলপের উদ্বোধন করেন।

Sunday, February 28, 2016

ঈশ্বরদী হাসপাতালে তামাক বিরোধী অভিযান তামাকজাত দ্রব্য ধবংশ








ঈশ্বরদী (পাবনা) সংবাদদাতা ॥
ঈশ্বরদী হাসপাতালে জর্দা, গুল, সাদাপাতা, বিড়ি-সিগারেটসহ তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিষিদ্ধ ঘোষনা করা হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে তামাক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করেছে তামাক বিরোধী নারীজোট ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। গতকাল বুধবার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্ের ও বিভিন্ন স্থানে পরিচালিত এই অভিযান শেষে উদ্ধার করা তামাকজাত দ্রব্য, হাসপাতালে ভর্তি রোগী ও তাদের স্বজনদের নিকট থেকে উদ্ধার করা বিভিন্ন ধরনের তামাকজাত দ্রব্য হাসপাতালের সামনে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংশ করা হয়।
এ অভিযানে তামাক বিরোধী নারী জোট (তাবিনাজ) এর সমন্বয়ক সাইদা আখতার, উবিনীগের সমন্বয়ক জয়নাল আবেদীন খান, ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ আসমা খানম, উপজেলা স্যানেটারী ইন্সপেক্টর সানোয়ার রহমান খোকন, তাবিনাজের সদস্য মাহমুদা বেগম, নাসরিন পারভিন, আরফান আলী, গোলাম মোস্তফা রনি, সাংবাদিক সেলিম সরদার, সেলিম আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
কর্তৃপক্ষ জানান, জর্দা, গুল, সাদাপাতা, বিড়ি-সিগারেটসহ তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার করলে মানব দেহের ব্যাপক ক্ষতি হয়। গলায় বা মুখে ঘা থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের জটিল কঠিন রোগ হয়ে থাকে। আগামী ১৯ মার্চ থেকে তামাকজাত দ্রব্যের প্যাকেট মোড়ক, কার্টুন বা মোড়কের উভয় পাশে সচিত্র সতর্কবানী মুদ্রণ বাধ্যতামূলক করার ঘোষনা দিয়েছে সরকার। 

                                           ঈশ্বরদী বই মেলায় সেলিম আহমেদ’র একক আলোকচিত্র প্রদর্শিত
ঈশ্বরদী উপজেলা ফটো সাংবাদিক এসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক ও ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিম আহমেদের একক অলোকচিত্র ঈশ্বরদীর বই মেলায় প্রদর্শিত হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ফিতা কেটে সেলিম আহমেদের একক আলোকচিত্র প্রদর্শনের উদ্বোধন করেন ঈশ্বরদী পৌরসভার মেয়র আবুল কালাম আজাদ মিন্টু। এসময় উপস্থিত ছিলেন ফটো সাংবাদিক সেলিম আহমেদ, অধ্যাপক উদয়নাথ লাহেড়ী, পৌর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ইসাহক আলী মালিথা, শিল্প ও বণিক সমিতির সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম বাচ্চু ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আব্দুস সালাম খানসহ পৌরসভার কাউন্সিলরবৃন্দ। উদ্বোধন শেষে প্রধান অতিথিসহ উপস্থিত সকলে আলোকচিত্র পরিদর্শন করেন। এরপর ঈশ্বরদী বই মেলায় আগত মানুষের ঢল নামে সাংবাদিক সেলিম আহমেদের একক আলোকচিত্র দেখার জন্য। মন্তব্য খাতায় অনেকেই লিখেছেন ঈশ্বরদীর বই মেলায় এসে সেলিম আহমেদের একক আলোকচিত্রের ছবি দেখে মন ভরে গেছে, মেলায় আসার স্বার্থকতা হয়েছে। কেউ কেউ আবার লিখেছেন সাংবাদিক সেলিম আহমেদের তোলা ছবি দেখে এক নজরে গোটা বাংলাদেশকে দেখা গেছে। এখানে সকল ধরনের ছবি প্রদর্শিত হয়েছে।

একান্ত আলাপচারিতায় সেলিম আহমেদ বলেন, ছোট বেলা থেকেই ছবি তোলার প্রতি সখ ছিল। গণমাধ্যম কর্মী হিসেবে সংবাদপত্রে কাজ করতে এসে ছবি তোলার প্রতি আরও বেশি ঝোক চলে এসেছে। ঈশ্বরদীর বই মেলায় আগত মানুষদের বিনোদনের জন্য বিনা পয়সায় সকলের জন্য আমার একক আলোকচিত্র প্রদর্শন উন্মুক্ত করে দিয়েছি। 

সামছুল হুদা ডিগ্রি কলেজে তথ্য প্রযুক্তি সহায়তায় ৪র্থ তলা ভবন নির্মাণের জন্য প্রকল্প পরিচালক ড. এ বি এম শাহ জালাল এর কলেজ পরিদর্শন

গতকাল শনিবার ২৭.২.১৬ সামছুল হুদা ডিগ্রি কলেজে তথ্য প্রযুক্তি সহায়তায় ৪র্থ তলা ভবন নির্মাণ চলাকালীন সময়ে প্রকল্প পরিচালক ড. এ বি এম শাহ জালাল পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন কালে তিনি কলেজের পরিচালনা পরিষদ, শিক্ষক ও কর্মচারীদের সাথে মতবিনিময় করেন। মতবিনিময় কালে তিনি শিক্ষক-কর্মচারীদের উপস্থিতি, কলেজের পরিবেশ দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং কলেজটির শিক্ষা ব্যবস্থা আগামীতে আরও গতিশীল ও তথ্য প্রযুক্তি সহায়তা সম্পন্ন করার জন্য শিক্ষকদের পরামর্শ দেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী প্রকল্প পরিচালক ড. মনির হোসেন, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার নাজনীন সুলতানা, কলেজের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি এ্যাড. তসলিম হাসান সুমন, কমিটির সদস্য ইয়াছিন আলী শুকুর, দাতা সদস্য সাংবাদিক আব্দুল হামিদ খান, শিক্ষকদের মধ্যে থেকে আক্তার জাহান কল্পনা, সুলতানা গুলেজান্নাত, শাহনাজ মেরী, রতœা খাতুন, কাজী মারুফা, সাজ্জাতুল...

Sunday, February 21, 2016

রণবীরকে এড়িয়ে চলছেন ক্যাটরিনা


রণবীর কাপুরের সঙ্গে ক্যাটরিনা কাইফের ছাড়াছাড়ির বিষয়টা নিয়ে সংবাদমাধ্যমগুলোতে বেশ কদিন তুমুল মাতামাতি ছিল। এরপর উৎসাহ থিতিয়ে গেলে কিছুটা অন্তরালেই চলে গিয়েছিল রণবীর-ক্যাটরিনা প্রসঙ্গ। রণবীরকে ক্যাটরিনা এড়িয়ে চলছেন—সম্প্রতি এমন খবরে আবারও সবাই নড়েচড়ে বসেছেন।
ক্যাটরিনা ও রণবীরের আলাদা বাড়িতে থাকার সংবাদের পর নতুন করে খবর প্রকাশিত হয়েছে যে রণবীর কাপুরকে পুরোপুরি এড়িয়ে চলছেন ক্যাটরিনা কাইফ।
ছাড়াছাড়ি বা বিচ্ছেদের পর কিছুদিন এমন এড়িয়ে চলার বিষয় ঘটতেই পারে। হয়তো দ্বিধা কিংবা সংকোচ; হয়তো বা অভিমান, নয়তো ক্রোধ এসে পথ আগলায় সম্পর্কের মাঝে।
যা-হোক, ক্যাটরিনা-রণবীরের বিচ্ছেদের পর এখন ঠিক কোন অনুভূতি যে কাজ করছে ক্যাটরিনা কাইফের মনে, সেটা স্পষ্ট করে একমাত্র ক্যাটরিনাই বলতে পারবেন।
সম্প্রতি আরতি শেঠির একটি অনুষ্ঠানে দাওয়াত পেয়েছিলেন ক্যাটরিনা। আরতি ক্যাটরিনা ও রণবীর এই দুজনের খুবই ঘনিষ্ঠ। আর স্বাভাবিকভাবেই সে অনুষ্ঠানে রণবীরও ছিলেন আমন্ত্রিত। রণবীরের সঙ্গে মুখোমুখি দেখা হয়ে যাবে ভেবেই সম্ভবত ওই অনুষ্ঠানে যাননি ক্যাটরিনা কাইফ।
এর আগে বিচ্ছেদের ঠিক পরপর অনুরাগ বসুর ‘জগ্গা জাসুস’ ছবির শুটিংয়েও আলাদাভাবে নিজেদের অংশের শুটিং করেছিলেন ক্যাটরিনা ও রণবীর। শুটিংয়ের সময়েও একই ভ্যানিটি ভ্যান ব্যবহার করেননি তাঁরা। একটি সূত্র সে সময় জানিয়েছিল, এ ছবির জন্য রণবীর কাপুর আলাদাভাবে তাঁর দৃশ্যগুলোতে অভিনয় করেন। একটি দৃশ্য ছিল দুজনের একসঙ্গে। সেই দৃশ্য তাঁরা করেছেন বটে, কিন্তু শুটিং ছাড়া আর কোনো কথাবার্তাই হয়নি তাঁদের মধ্যে।
ছবির শুটিং চলছিল জানুয়ারির শুরুতেই। গত ৮ জানুয়ারি ক্যাটরিনা মুম্বাই থেকে খানিক দূরের এক স্টুডিওতে সালমান খানের সঙ্গে দেখা করেন। কথা বলেন। রণবীর এ সময় ছবির শুটিং চালিয়ে যান। ১৮ জানুয়ারি রণবীর আর ক্যাটরিনা আলাদাভাবে আসেন। তাঁরা একে অন্যের দিকে তাকাননি পর্যন্ত। এনডিটিভি। টাইমস অব ইন্ডিয়া।

প্রীতির বিয়ে পেছাল!







এই ফেব্রুয়ারিতেই বিয়ের অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল বলিউডের তারকা প্রীতি জিনতার। সেই বিয়ে মাস খানেক পিছিয়ে এখন হবে এপ্রিলে। প্রীতির ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছে, এ বছরের এপ্রিল মাসের কোনো একসময়ে বিয়ে করবেন প্রীতি। পাত্র সেই জিন গুডএনাফ।
এর আগে বলিউডের তারকা প্রীতি জিনতা টুইটারে লিখেছিলেন, ‘জানুয়ারিতে বিয়ে করছি না। অন্তত এক বছর এ নিয়ে কোনো আলোচনা শুনতে চাই না..., প্লিজ।’
সে সময় সম্ভবত বিরক্ত হয়েই এই টুইট করেছিলেন প্রীতি।
এ ছাড়া বলিউডের কয়েকটি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছিল, প্রীতি নিজেই নাকি তাঁর বন্ধুদের ফোন করে বিয়ের বিষয়টি জানিয়েছিলেন। ১২ থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি ছিল বিয়ের তারিখ।
যা-হোক, সেই তারিখ বদলে এখন হয়েছে এপ্রিল। যদিও নির্দিষ্ট দিনক্ষণের কথা এখন পর্যন্ত কেউই জানাতে পারেনি। কিন্তু বিয়ের অনুষ্ঠানটি সেই আগের নির্ধারিত জায়গাতেই হচ্ছে। অর্থাৎ মার্কিন মুলুকের লস অ্যাঞ্জেলেসে।
সেখানে গির্জায় একেবারে ঘরোয়া আয়োজনে হবে আনুষ্ঠানিকতা। অবশ্য একটি সূত্র জানিয়েছে, লস অ্যাঞ্জেলেসের অনুষ্ঠানটির পর মুম্বাইয়ে প্রীতি-জিনের বিয়ের অনুষ্ঠান হবে।
সূত্রটি জানিয়েছে, গির্জায় যে অনুষ্ঠানটা হবে, সেটি আয়োজিত হবে খুব ঘনিষ্ঠজনদের নিয়েই। প্রীতি আর জিনের পরিবারের সদস্যরা ছাড়া বড়জোর দুই-চারজন ঘনিষ্ঠ বন্ধু সেখানে থাকবেন। তবে প্রীতির বিবাহোত্তর সংবর্ধনার অনুষ্ঠান হবে মুম্বাইতেই। রাজপুত ঐতিহ্যের রীতি-রেওয়াজ মেনেই।
প্রসঙ্গত, নেস ওয়াদিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর যুবরাজ সিংহের সঙ্গেও প্রীতির সম্পর্কের গুজব রটেছিল। এনডিটিভি।
নকল বন্ধ করার ফল?‌ ভারতের উত্তরপ্রদেশে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের বোর্ড পরীক্ষায় বসল না ৭ লাখ ৪২ হাজার পরীক্ষার্থী!‌
উত্তরপ্রদেশ মাধ্যমিক শিক্ষা পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরীক্ষায় নকল রুখতে বিশেষ মোবাইল অ্যাপ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। সম্ভবত তার জেরেই এই বিপুল অনুপস্থিতি। উল্লেখ্য, উত্তরপ্রদেশের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৬৮ লাখ, যা বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। কিন্তু শুক্রবার পরীক্ষার প্রথম দিনে ১১,৬৬৭টি পরীক্ষাকেন্দ্র রিপোর্ট জমা দিলে দেখা যায়, উচ্চমাধ্যমিক স্তরের ২ লক্ষ ৮৮ হাজার ও মাধ্যমিক স্তরের ৪ লাখ ৫৪ হাজার পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়নি।
উত্তরপ্রদেশ মাধ্যমিক শিক্ষা পরিষদের ডেপুটি সেক্রেটারি অরবিন্দ পান্ডে জানিয়েছেন, মিরাট ও গাজিপুর জেলায় সবথেকে বেশি সংখ্যক পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। দুই জেলা মিলিয়ে প্রায় ৭২ হাজার পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়নি। বরেলি ও বালিয়া মিলিয়ে সংখ্যাটা ছিল ৬৮ হাজার, এলাহাবাদে ৩২ হাজার ও আগ্রায় ২২ হাজার পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। অন্যদিকে, লক্ষ্ণৌতে সাড়ে ৪ হাজার ও বারাণসীতে ১০ হাজার ৭০০ পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়নি। বিহার, উত্তরপ্রদেশে পরীক্ষায় অবাধ টোকাটুকি নিয়ে সংবাদমাধ্যম বার বার সরব হয়েছে। এবার পরীক্ষাকেন্দ্রে টুকলি রুখতে বিশেষ প্রযুক্তির সাহায্য নেয় সরকার। নেওয়া হয় অনলাইন রেজিস্ট্রেশন ব্যবস্থা। তাতে ভুয়ো পরীক্ষার্থী এবং টোকাটুকির রমরমা কমেছে।‌ - See more at: http://www.dailynayadiganta.com/detail/news/95648#sthash.xnXuZK2l.dpuf
নকল বন্ধ করার ফল?‌ ভারতের উত্তরপ্রদেশে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের বোর্ড পরীক্ষায় বসল না ৭ লাখ ৪২ হাজার পরীক্ষার্থী!‌
উত্তরপ্রদেশ মাধ্যমিক শিক্ষা পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরীক্ষায় নকল রুখতে বিশেষ মোবাইল অ্যাপ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। সম্ভবত তার জেরেই এই বিপুল অনুপস্থিতি। উল্লেখ্য, উত্তরপ্রদেশের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৬৮ লাখ, যা বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। কিন্তু শুক্রবার পরীক্ষার প্রথম দিনে ১১,৬৬৭টি পরীক্ষাকেন্দ্র রিপোর্ট জমা দিলে দেখা যায়, উচ্চমাধ্যমিক স্তরের ২ লক্ষ ৮৮ হাজার ও মাধ্যমিক স্তরের ৪ লাখ ৫৪ হাজার পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়নি।
উত্তরপ্রদেশ মাধ্যমিক শিক্ষা পরিষদের ডেপুটি সেক্রেটারি অরবিন্দ পান্ডে জানিয়েছেন, মিরাট ও গাজিপুর জেলায় সবথেকে বেশি সংখ্যক পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। দুই জেলা মিলিয়ে প্রায় ৭২ হাজার পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়নি। বরেলি ও বালিয়া মিলিয়ে সংখ্যাটা ছিল ৬৮ হাজার, এলাহাবাদে ৩২ হাজার ও আগ্রায় ২২ হাজার পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। অন্যদিকে, লক্ষ্ণৌতে সাড়ে ৪ হাজার ও বারাণসীতে ১০ হাজার ৭০০ পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়নি। বিহার, উত্তরপ্রদেশে পরীক্ষায় অবাধ টোকাটুকি নিয়ে সংবাদমাধ্যম বার বার সরব হয়েছে। এবার পরীক্ষাকেন্দ্রে টুকলি রুখতে বিশেষ প্রযুক্তির সাহায্য নেয় সরকার। নেওয়া হয় অনলাইন রেজিস্ট্রেশন ব্যবস্থা। তাতে ভুয়ো পরীক্ষার্থী এবং টোকাটুকির রমরমা কমেছে।‌ - See more at: http://www.dailynayadiganta.com/detail/news/95648#sthash.xnXuZK2l.dpuf
নকল বন্ধ করার ফল?‌ ভারতের উত্তরপ্রদেশে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের বোর্ড পরীক্ষায় বসল না ৭ লাখ ৪২ হাজার পরীক্ষার্থী!‌
উত্তরপ্রদেশ মাধ্যমিক শিক্ষা পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরীক্ষায় নকল রুখতে বিশেষ মোবাইল অ্যাপ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। সম্ভবত তার জেরেই এই বিপুল অনুপস্থিতি। উল্লেখ্য, উত্তরপ্রদেশের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৬৮ লাখ, যা বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। কিন্তু শুক্রবার পরীক্ষার প্রথম দিনে ১১,৬৬৭টি পরীক্ষাকেন্দ্র রিপোর্ট জমা দিলে দেখা যায়, উচ্চমাধ্যমিক স্তরের ২ লক্ষ ৮৮ হাজার ও মাধ্যমিক স্তরের ৪ লাখ ৫৪ হাজার পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়নি।
উত্তরপ্রদেশ মাধ্যমিক শিক্ষা পরিষদের ডেপুটি সেক্রেটারি অরবিন্দ পান্ডে জানিয়েছেন, মিরাট ও গাজিপুর জেলায় সবথেকে বেশি সংখ্যক পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। দুই জেলা মিলিয়ে প্রায় ৭২ হাজার পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়নি। বরেলি ও বালিয়া মিলিয়ে সংখ্যাটা ছিল ৬৮ হাজার, এলাহাবাদে ৩২ হাজার ও আগ্রায় ২২ হাজার পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। অন্যদিকে, লক্ষ্ণৌতে সাড়ে ৪ হাজার ও বারাণসীতে ১০ হাজার ৭০০ পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়নি। বিহার, উত্তরপ্রদেশে পরীক্ষায় অবাধ টোকাটুকি নিয়ে সংবাদমাধ্যম বার বার সরব হয়েছে। এবার পরীক্ষাকেন্দ্রে টুকলি রুখতে বিশেষ প্রযুক্তির সাহায্য নেয় সরকার। নেওয়া হয় অনলাইন রেজিস্ট্রেশন ব্যবস্থা। তাতে ভুয়ো পরীক্ষার্থী এবং টোকাটুকির রমরমা কমেছে।‌ - See more at: http://www.dailynayadiganta.com/detail/news/95648#sthash.xnXuZK2l.dpuf
নকল বন্ধ করার ফল?‌ ভারতের উত্তরপ্রদেশে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের বোর্ড পরীক্ষায় বসল না ৭ লাখ ৪২ হাজার পরীক্ষার্থী!‌
উত্তরপ্রদেশ মাধ্যমিক শিক্ষা পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরীক্ষায় নকল রুখতে বিশেষ মোবাইল অ্যাপ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। সম্ভবত তার জেরেই এই বিপুল অনুপস্থিতি। উল্লেখ্য, উত্তরপ্রদেশের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৬৮ লাখ, যা বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। কিন্তু শুক্রবার পরীক্ষার প্রথম দিনে ১১,৬৬৭টি পরীক্ষাকেন্দ্র রিপোর্ট জমা দিলে দেখা যায়, উচ্চমাধ্যমিক স্তরের ২ লক্ষ ৮৮ হাজার ও মাধ্যমিক স্তরের ৪ লাখ ৫৪ হাজার পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়নি।
উত্তরপ্রদেশ মাধ্যমিক শিক্ষা পরিষদের ডেপুটি সেক্রেটারি অরবিন্দ পান্ডে জানিয়েছেন, মিরাট ও গাজিপুর জেলায় সবথেকে বেশি সংখ্যক পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। দুই জেলা মিলিয়ে প্রায় ৭২ হাজার পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়নি। বরেলি ও বালিয়া মিলিয়ে সংখ্যাটা ছিল ৬৮ হাজার, এলাহাবাদে ৩২ হাজার ও আগ্রায় ২২ হাজার পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। অন্যদিকে, লক্ষ্ণৌতে সাড়ে ৪ হাজার ও বারাণসীতে ১০ হাজার ৭০০ পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়নি। বিহার, উত্তরপ্রদেশে পরীক্ষায় অবাধ টোকাটুকি নিয়ে সংবাদমাধ্যম বার বার সরব হয়েছে। এবার পরীক্ষাকেন্দ্রে টুকলি রুখতে বিশেষ প্রযুক্তির সাহায্য নেয় সরকার। নেওয়া হয় অনলাইন রেজিস্ট্রেশন ব্যবস্থা। তাতে ভুয়ো পরীক্ষার্থী এবং টোকাটুকির রমরমা কমেছে।‌ - See more at: http://www.dailynayadiganta.com/detail/news/95648#sthash.xnXuZK2l.dpuf
নকল বন্ধ করার ফল?‌ ভারতের উত্তরপ্রদেশে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের বোর্ড পরীক্ষায় বসল না ৭ লাখ ৪২ হাজার পরীক্ষার্থী!‌
উত্তরপ্রদেশ মাধ্যমিক শিক্ষা পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরীক্ষায় নকল রুখতে বিশেষ মোবাইল অ্যাপ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। সম্ভবত তার জেরেই এই বিপুল অনুপস্থিতি। উল্লেখ্য, উত্তরপ্রদেশের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৬৮ লাখ, যা বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। কিন্তু শুক্রবার পরীক্ষার প্রথম দিনে ১১,৬৬৭টি পরীক্ষাকেন্দ্র রিপোর্ট জমা দিলে দেখা যায়, উচ্চমাধ্যমিক স্তরের ২ লক্ষ ৮৮ হাজার ও মাধ্যমিক স্তরের ৪ লাখ ৫৪ হাজার পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়নি।
উত্তরপ্রদেশ মাধ্যমিক শিক্ষা পরিষদের ডেপুটি সেক্রেটারি অরবিন্দ পান্ডে জানিয়েছেন, মিরাট ও গাজিপুর জেলায় সবথেকে বেশি সংখ্যক পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। দুই জেলা মিলিয়ে প্রায় ৭২ হাজার পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়নি। বরেলি ও বালিয়া মিলিয়ে সংখ্যাটা ছিল ৬৮ হাজার, এলাহাবাদে ৩২ হাজার ও আগ্রায় ২২ হাজার পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। অন্যদিকে, লক্ষ্ণৌতে সাড়ে ৪ হাজার ও বারাণসীতে ১০ হাজার ৭০০ পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়নি। বিহার, উত্তরপ্রদেশে পরীক্ষায় অবাধ টোকাটুকি নিয়ে সংবাদমাধ্যম বার বার সরব হয়েছে। এবার পরীক্ষাকেন্দ্রে টুকলি রুখতে বিশেষ প্রযুক্তির সাহায্য নেয় সরকার। নেওয়া হয় অনলাইন রেজিস্ট্রেশন ব্যবস্থা। তাতে ভুয়ো পরীক্ষার্থী এবং টোকাটুকির রমরমা কমেছে।‌ - See more at: http://www.dailynayadiganta.com/detail/news/95648#sthash.xnXuZK2l.dpuf
নকল বন্ধ করার ফল?‌ ভারতের উত্তরপ্রদেশে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের বোর্ড পরীক্ষায় বসল না ৭ লাখ ৪২ হাজার পরীক্ষার্থী!‌
উত্তরপ্রদেশ মাধ্যমিক শিক্ষা পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরীক্ষায় নকল রুখতে বিশেষ মোবাইল অ্যাপ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। সম্ভবত তার জেরেই এই বিপুল অনুপস্থিতি। উল্লেখ্য, উত্তরপ্রদেশের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৬৮ লাখ, যা বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। কিন্তু শুক্রবার পরীক্ষার প্রথম দিনে ১১,৬৬৭টি পরীক্ষাকেন্দ্র রিপোর্ট জমা দিলে দেখা যায়, উচ্চমাধ্যমিক স্তরের ২ লক্ষ ৮৮ হাজার ও মাধ্যমিক স্তরের ৪ লাখ ৫৪ হাজার পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়নি।
উত্তরপ্রদেশ মাধ্যমিক শিক্ষা পরিষদের ডেপুটি সেক্রেটারি অরবিন্দ পান্ডে জানিয়েছেন, মিরাট ও গাজিপুর জেলায় সবথেকে বেশি সংখ্যক পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। দুই জেলা মিলিয়ে প্রায় ৭২ হাজার পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়নি। বরেলি ও বালিয়া মিলিয়ে সংখ্যাটা ছিল ৬৮ হাজার, এলাহাবাদে ৩২ হাজার ও আগ্রায় ২২ হাজার পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। অন্যদিকে, লক্ষ্ণৌতে সাড়ে ৪ হাজার ও বারাণসীতে ১০ হাজার ৭০০ পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়নি। বিহার, উত্তরপ্রদেশে পরীক্ষায় অবাধ টোকাটুকি নিয়ে সংবাদমাধ্যম বার বার সরব হয়েছে। এবার পরীক্ষাকেন্দ্রে টুকলি রুখতে বিশেষ প্রযুক্তির সাহায্য নেয় সরকার। নেওয়া হয় অনলাইন রেজিস্ট্রেশন ব্যবস্থা। তাতে ভুয়ো পরীক্ষার্থী এবং টোকাটুকির রমরমা কমেছে।‌ - See more at: http://www.dailynayadiganta.com/detail/news/95648#sthash.xnXuZK2l.dpuf
নকল বন্ধ করার ফল?‌ ভারতের উত্তরপ্রদেশে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের বোর্ড পরীক্ষায় বসল না ৭ লাখ ৪২ হাজার পরীক্ষার্থী!‌
উত্তরপ্রদেশ মাধ্যমিক শিক্ষা পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরীক্ষায় নকল রুখতে বিশেষ মোবাইল অ্যাপ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। সম্ভবত তার জেরেই এই বিপুল অনুপস্থিতি। উল্লেখ্য, উত্তরপ্রদেশের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৬৮ লাখ, যা বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। কিন্তু শুক্রবার পরীক্ষার প্রথম দিনে ১১,৬৬৭টি পরীক্ষাকেন্দ্র রিপোর্ট জমা দিলে দেখা যায়, উচ্চমাধ্যমিক স্তরের ২ লক্ষ ৮৮ হাজার ও মাধ্যমিক স্তরের ৪ লাখ ৫৪ হাজার পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়নি।
উত্তরপ্রদেশ মাধ্যমিক শিক্ষা পরিষদের ডেপুটি সেক্রেটারি অরবিন্দ পান্ডে জানিয়েছেন, মিরাট ও গাজিপুর জেলায় সবথেকে বেশি সংখ্যক পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। দুই জেলা মিলিয়ে প্রায় ৭২ হাজার পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়নি। বরেলি ও বালিয়া মিলিয়ে সংখ্যাটা ছিল ৬৮ হাজার, এলাহাবাদে ৩২ হাজার ও আগ্রায় ২২ হাজার পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। অন্যদিকে, লক্ষ্ণৌতে সাড়ে ৪ হাজার ও বারাণসীতে ১০ হাজার ৭০০ পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়নি। বিহার, উত্তরপ্রদেশে পরীক্ষায় অবাধ টোকাটুকি নিয়ে সংবাদমাধ্যম বার বার সরব হয়েছে। এবার পরীক্ষাকেন্দ্রে টুকলি রুখতে বিশেষ প্রযুক্তির সাহায্য নেয় সরকার। নেওয়া হয় অনলাইন রেজিস্ট্রেশন ব্যবস্থা। তাতে ভুয়ো পরীক্ষার্থী এবং টোকাটুকির রমরমা কমেছে।‌ - See more at: http://www.dailynayadiganta.com/detail/news/95648#sthash.xnXuZK2l.dpuf
নকল বন্ধ করার ফল?‌ ভারতের উত্তরপ্রদেশে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের বোর্ড পরীক্ষায় বসল না ৭ লাখ ৪২ হাজার পরীক্ষার্থী!‌
উত্তরপ্রদেশ মাধ্যমিক শিক্ষা পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরীক্ষায় নকল রুখতে বিশেষ মোবাইল অ্যাপ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। সম্ভবত তার জেরেই এই বিপুল অনুপস্থিতি। উল্লেখ্য, উত্তরপ্রদেশের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৬৮ লাখ, যা বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। কিন্তু শুক্রবার পরীক্ষার প্রথম দিনে ১১,৬৬৭টি পরীক্ষাকেন্দ্র রিপোর্ট জমা দিলে দেখা যায়, উচ্চমাধ্যমিক স্তরের ২ লক্ষ ৮৮ হাজার ও মাধ্যমিক স্তরের ৪ লাখ ৫৪ হাজার পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়নি।
উত্তরপ্রদেশ মাধ্যমিক শিক্ষা পরিষদের ডেপুটি সেক্রেটারি অরবিন্দ পান্ডে জানিয়েছেন, মিরাট ও গাজিপুর জেলায় সবথেকে বেশি সংখ্যক পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। দুই জেলা মিলিয়ে প্রায় ৭২ হাজার পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়নি। বরেলি ও বালিয়া মিলিয়ে সংখ্যাটা ছিল ৬৮ হাজার, এলাহাবাদে ৩২ হাজার ও আগ্রায় ২২ হাজার পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। অন্যদিকে, লক্ষ্ণৌতে সাড়ে ৪ হাজার ও বারাণসীতে ১০ হাজার ৭০০ পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়নি। বিহার, উত্তরপ্রদেশে পরীক্ষায় অবাধ টোকাটুকি নিয়ে সংবাদমাধ্যম বার বার সরব হয়েছে। এবার পরীক্ষাকেন্দ্রে টুকলি রুখতে বিশেষ প্রযুক্তির সাহায্য নেয় সরকার। নেওয়া হয় অনলাইন রেজিস্ট্রেশন ব্যবস্থা। তাতে ভুয়ো পরীক্ষার্থী এবং টোকাটুকির রমরমা কমেছে।‌ - See more at: http://www.dailynayadiganta.com/detail/news/95648#sthash.xnXuZK2l.dpuf
নকল বন্ধ করার ফল?‌ ভারতের উত্তরপ্রদেশে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের বোর্ড পরীক্ষায় বসল না ৭ লাখ ৪২ হাজার পরীক্ষার্থী!‌
উত্তরপ্রদেশ মাধ্যমিক শিক্ষা পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরীক্ষায় নকল রুখতে বিশেষ মোবাইল অ্যাপ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। সম্ভবত তার জেরেই এই বিপুল অনুপস্থিতি। উল্লেখ্য, উত্তরপ্রদেশের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৬৮ লাখ, যা বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। কিন্তু শুক্রবার পরীক্ষার প্রথম দিনে ১১,৬৬৭টি পরীক্ষাকেন্দ্র রিপোর্ট জমা দিলে দেখা যায়, উচ্চমাধ্যমিক স্তরের ২ লক্ষ ৮৮ হাজার ও মাধ্যমিক স্তরের ৪ লাখ ৫৪ হাজার পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়নি।
উত্তরপ্রদেশ মাধ্যমিক শিক্ষা পরিষদের ডেপুটি সেক্রেটারি অরবিন্দ পান্ডে জানিয়েছেন, মিরাট ও গাজিপুর জেলায় সবথেকে বেশি সংখ্যক পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। দুই জেলা মিলিয়ে প্রায় ৭২ হাজার পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়নি। বরেলি ও বালিয়া মিলিয়ে সংখ্যাটা ছিল ৬৮ হাজার, এলাহাবাদে ৩২ হাজার ও আগ্রায় ২২ হাজার পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। অন্যদিকে, লক্ষ্ণৌতে সাড়ে ৪ হাজার ও বারাণসীতে ১০ হাজার ৭০০ পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়নি। বিহার, উত্তরপ্রদেশে পরীক্ষায় অবাধ টোকাটুকি নিয়ে সংবাদমাধ্যম বার বার সরব হয়েছে। এবার পরীক্ষাকেন্দ্রে টুকলি রুখতে বিশেষ প্রযুক্তির সাহায্য নেয় সরকার। নেওয়া হয় অনলাইন রেজিস্ট্রেশন ব্যবস্থা। তাতে ভুয়ো পরীক্ষার্থী এবং টোকাটুকির রমরমা কমেছে।‌ - See more at: http://www.dailynayadiganta.com/detail/news/95648#sthash.xnXuZK2l.dpuf

Saturday, February 20, 2016

রাঙা পলাশে শহীদ স্মরণ


শিমুলে পলাশে রাঙা বাংলার দিগন্ত। গাছে গাছে নবীন পাতার গুচ্ছ। প্রকৃতিতে যখন নবীনের উন্মেষের আনন্দ-উচ্ছ্বাস, তখনই এক মর্মমূল ছেঁড়া বেদনার ঘটনা ঘটেছিল এই বাংলায়। আজ থেকে ৬৪ বছর আগে। মায়ের ভাষার অধিকার রক্ষার দাবিতে শাসকের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে অকুতোভয় বীর সন্তানেরা নেমে এসেছিলেন রাজপথে। বুকের তাজা রক্তে বসন্তের রাঙা ফুলের মতোই রাঙিয়ে দিয়েছিলেন ঢাকার রাজপথ। মাতৃভাষার দাবিতে আত্মদানের এক অভূতপূর্ব অধ্যায় সেদিন সংযোজিত হয়েছিল মানব ইতিহাসে। আজ রোববার সেই অনন্য স্মৃতিধন্য দিন। অমর একুশে ফেব্রুয়ারি। মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।
মাতৃভাষার জন্য বাঙালির আত্মদানের এই অতুলনীয় ঘটনা স্বীকৃত হয়েছে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে। ১৯৯৯ সালে ইউনেসকো ২১ ফেব্রুয়ারিকে ঘোষণা করে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে। আজ বাঙালির সঙ্গে সারা বিশ্বেই দিনটি পালিত হচ্ছে।
দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত পাকিস্তান রাষ্ট্রের সংখ্যালঘু পশ্চিমা শাসকেরা শুরু থকেই দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ বাঙালিদের ওপর শাসন-শোষণের চক্রান্ত শুরু করে। তারা আঘাত হানে বাঙালির মাতৃভাষার ওপর। একতরফাভাবে উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা ঘোষণা করায় পূর্ব বাংলায় গড়ে ওঠে বিপুল আন্দোলন। ১৯৪৮ থেকে ভাষা
আন্দোলন এগিয়ে যায় ধাপে ধাপে। চূড়ান্ত পর্যায়ে উপনীত হয় ১৯৫২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ঢাকায় ১৪৪ ধারা ভেঙে ছাত্র-জনতা রাজপথে বিক্ষোভ মিছিলে নামলে। সেই মিছিলে গুলি করা হলে সালাম, বরকত, রফিক, সফিউর, জব্বারসহ নাম না জানা বীর সন্তানদের রক্তে রঞ্জিত হয় রাজপথ। এই ঘটনা ভাষা আন্দোলনকে আরও বেগবান করে তোলে। অবশেষে ১৯৫৬ সালে শাসকগোষ্ঠী নতিস্বীকার করে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দিতে বাধ্য হয়।
আজ কৃতজ্ঞ জাতি বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করবে ভাষাশহীদদের। তাঁদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে নিবেদন করা ফুলে ফুলে ভরে উঠবে সারা দেশের শহীদ মিনারের বেদি। প্রভাতফেরিতে সবার কণ্ঠে থাকবে সেই চিরচেনা গান ‘আমার ভায়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি/আমি কি ভুলিতে পারি...।’ ঢাকায় শহীদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের পর অনেকেই যাবেন আজিমপুর কবরস্থানে শহীদের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও তাঁদের রুহের মাগফিরাত কামনা করতে।
বাণী: মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে এবং তাঁদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেছেন। তাঁরা পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছেন।
রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ তাঁর বাণীতে বলেন, ‘আমরা গর্ববোধ করি এই ভেবে যে, অমর একুশের চেতনা আজ দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন ভাষাভাষী মানুষের নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতি রক্ষায় অনুপ্রেরণা জোগাচ্ছে। আমাদের শহীদ দিবস এখন বিশ্বজুড়ে স্বকীয়তা রক্ষার চেতনার উৎস। এই চেতনাকে ধারণ করে পৃথিবীর সব ভাষাভাষী মানুষের সঙ্গে যোগসূত্র স্থাপিত হবে, লুপ্তপ্রায় ভাষাগুলো আপন মহিমায় নিজ নিজ সম্প্রদায়ের মধ্যে উজ্জীবিত হবে।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর বাণীতে বলেন, ‘অমর একুশে আমাদের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, বাঙালি জাতীয়তাবাদ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং ধর্মনিরপেক্ষতার প্রতীক। বর্তমান সরকার একুশের চেতনা ও মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধকে ধারণ করে ক্ষুধা, দারিদ্র্য, সাম্প্রদায়িকতা ও নিরক্ষরতামুক্ত আধুনিক ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।’
বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া তাঁর বাণীতে বলেছেন, ‘একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের জাতীয় জীবনের এক তাৎপর্যময় দিন। ভাষাশহীদদের মহিমান্বিত আত্মত্যাগের বিনিময়েই রচিত হয়েছে আমাদের জাতীয় মুক্তি আন্দোলনের প্রথম সোপান।’

ঈশ্বরদীতে ব্যাংক এশিয়ার উচ্চ শিক্ষা বৃত্তি প্রদান



ঈশ্বরদীতে ব্যাংক এশিয়া মেধাবী ও আর্থিক অস্বচ্ছল শিক্ষার্থীদের ইক্ষু গবেষণা মিলনায়তনে গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে ১২ জন শিক্ষার্থীকে উচ্চ শিক্ষা বৃত্তি প্রদান  করেন। ব্যাংক এশিয়ার উচ্চ শিক্ষা বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বৃত্তি প্রদান করেন মোঃ মেহমুদ হোসেন প্রেসিডেন্ট ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ব্যাংক এশিয়া লিমিটেড।

ব্যাংক এশিয়া ঈশ্বরদীর শাখা ব্যবস্থাপক শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে¡ উচ্চ শিক্ষা বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ব্যাংক এশিয়ার সিনিয়র এক্্িরকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট বরুন কান্তি সাহা, ইক্ষুগবেষণা ইনষ্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. আমজাদ হোসেন, ঈশ্বরদী পৌরসভার নব-নির্বাচিত মেয়র আবুল কালাম আজাদ মিন্টু। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ব্যাংক এশিয়া রাজশাহীর শাখা ব্যবস্থাপক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, কুষ্টিয়ার শাখা ব্যবস্থাপক মোঃ আলী আহসান, ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক এসএম ফজলুর রহমানসহ ব্যাংক এশিয়া ঈশ্বরদী শাখার গ্রাহকবৃন্দ। ১২ জন শিক্ষার্থীকে বই কেনার জন্য প্রতি বছর এককালীন ১০ হাজার নগদ টাকা প্রদান করেন এবং মাসিক দুই হাজার টাকা করে পড়াশুনার খরচের জন্য প্রদান করা হবে। অনুষ্ঠানে সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন আসমা আকতার সিনিয়র অফিসার ব্যাংক এশিয়া লিমিটেড।
বক্তারা বলেন, নিরন্তর নিঃস্বার্থ প্রচেষ্টা আর সময়োপযোগী পদক্ষেপে ঘটে ইতিহাসের পরিবর্তন। এই দর্শনকে সামনে রেখে ব্যাংক এশিয়া প্রবর্তন করেছে ব্যাংক এশিয়া উচ্চ শিক্ষা বৃত্তি। আমাদের বৃত্তি প্রদানের অর্থ যত সামান্য হলেও এটা শিক্ষার্থীদের অনেক কাজে আসবে। ২০০৫ সাল থেকে অধ্যাবধি এই বৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে। ২০১০ সাল থেকে ঈশ্বরদীর ১১১ জন শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদান করা হয়েছে। শীতার্ত অসহায় মানুষদের শীতবস্ত্র কম্বল বিতরণ করা হয়ে থাকে। এছাড়া পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠির শিক্ষার্থীদের পড়াশুনার জন্য গ্রামের স্কুল গুলোকে সহযোগিতা প্রদান করা হয়।
একই সাথে জন্মান্ধ শিশুদের চিকিৎসার দায় ভার ব্যাংক এশিয়া নিয়ে থাকে। আপনাদের আশেপাশে এমন কোন জন্মান্ধ শিশু থাকলে স্থানীয় ব্যাংক এশিয়ার ব্যবস্থাপকের সাথে যোগাযোগ করে দেয়ার আহ্বান জানান। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে আরও বলেন, আজকে যাদের উচ্চ বৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে তোমরা সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে আগামীতে এদেশের জন্য কাজ করবে। ব্যবসায়ীদের সহযোগিতায় তোমাদের বৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে। তাই তোমরা সম্মানীত সকল ব্যবসায়ীদের সন্মান করবে। ব্যাংক এশিয়ার পাশাপাশি দেশের অন্যান্য লাভজনক প্রতিষ্ঠানকে বৃত্তি প্রদানে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান এবং ব্যাংক এশিয়া আগামীতেও যেন এর ধারাবাহিকতা বজায় রাখে বলে বক্তারা এ কথা বলেন।

Friday, February 19, 2016

California 'won't enforce' porn movie condoms


Condoms (stock image)Image copyrightThinkstock

California work safety officials have voted against forcing porn actors to wear condoms to prevent the spread of sexually transmitted diseases (STD).

Porn industry representatives argued that condoms were a turn-off for viewers and could destroy the industry.

They warned such a ruling in favour of condoms could lead to actors also being required to wear safety goggles and dental dams.

Performers are currently required to be tested every two weeks for STDs.

The vote came after the Aids Healthcare Foundation lobbied California's Division of Occupational Safety and Health's Standards Board (Cal/OSHA) for stricter workplace safety rules in porn.

But industry representatives also said making actors wear condoms could push the industry underground, where health risks would be greater.

They also said stricter safety provisions could be interpreted as requiring sex workers to ensure their eyes were protected from infection by blood-borne pathogens by wearing goggles like those worn by doctors.

Such a requirement would spell the end of many porn film scenes, they said.

"When you criminalise sex work in any way, you make it more dangerous," said said porn actress and journalist SiouxsieQ.

However, the porn trade association the Free Speech Coalition said it was keen to work with officials to create acceptable safety standards.

Condoms are already required to be worn for porn films made in Los Angeles County under rules approved by voters in 2012.

Californians will vote on whether to extend that requirement across the state in November.

Source -http://www.bbc.com/news/world-us-canada-35610523

Thursday, February 18, 2016

The latest high-end Ubuntu phone will be available globally

The latest high-end Ubuntu phone will be available globally

Canonical and Meizu will launch the most powerful Ubuntu phone ever, the Meizu PRO 5 Ubuntu Edition, at Mobile World Congress.

Back in 2013, Jono Bacon, then Canonical's Ubuntu Linux community manager, told me the company's goal was to create smartphones that would "be more beautiful than Apple and as powerful as Android but with the open-source legacy of Ubuntu." In 2016, Canonical, along with Chinese smartphone manufacturer Meizu, may have done it with the Meizu PRO 5 Ubuntu Edition smartphone. 

Meizu PRO 5 Ubuntu Edition
To see details visit-http://badhanpbn.blogspot.com/2016/02/the-latest-high-end-ubuntu-phone-will.html?m=1 

Sales Jumped Because People Want To Look Good In Selfies

"We live in a society in which people increasingly put themselves on stage, so these actors need make-up.

Cosmetics behemoth L’Oreal has seen a boost to its sales from an unexpected place—selfies. The French makeup maker reported an 11% increase in cosmetics sales last year, compared to just 2% for perfume and 6% for skin care. The reason, saysL’Oreal luxury products chief Nicolas Hieronimus, is selfies.

"We live in a society in which people increasingly put themselves on stage, so these actors need make-up," said Hieronimus in a press release.

The company seems to have foreseen this boom. A few years ago it bought two U.S. makeup brands, Urban Decayand Nix, and Urban Decay alone saw 30% growth last year. But the real booster here might be, appropriately, an investment in technology and social media.

Peter Bernik via Shutterstock

For instance, L’Oreal’s Makeup Genius app lets you try on virtual cosmetics with your smartphone, using its camera and (somewhat unsuccessful, according to the reviews) motion tracking to overlay the makeup on your face, live, just like you were taking a selfie. And the company just announced a disposable skin patchthat monitors UV exposure and recommends skincare based on its readings.

And it’s not just L’Oreal either. Makeup for selfies is a big deal everywhere. What about this listicle on the Ten Best Foundations for Taking Selfiesform the U.K.? Or this Teen Vogue piece on The Best Makeup to Wear When Taking a Selfie?

One thing that hasn’t changed is the exploitation of young women’s insecurity about their looks. According to Reuters, Hieronimus said, "Training videos on the Internet also helped stimulate make-up sales as they allowed young women to find out by themselves how to improve their looks and use make-up."

Source-http://www.fastcoexist.com/3056798/loreal-makeup-sales-jumped-because-people-want-to-look-good-in-selfies?

Randstad gross profit up 6.9% in Q4 2015

Randstad has released its fourth quarter 2015 results, revealing its gross profit rose by 6.9% and total EBITDA of €245m, up +18% organically.

 

The company reported revenue of €4,995m. Its organic growth was recorded at 6.6% and gross profit climbed 6.9%.

 

Topline growth accelerated in France and remained stable in North America. Gross margin was up 20 bp to 18.9%; perm fees rose 13% and now makes up 9.7% of gross profit (vs. 9.2% last year).

 

Adjusted net income is up 55% to €193m; ROIC at 18.8% (vs. 15.8% last year). DSO improved to 50.7 (from 51.7 in Q4 2014) and the company had a leverage ratio of 0.2 (vs. 0.5 last year)

 

"The dedication and commitment of our people resulted in a solid fourth quarter, in which we are pleased to see our top line accelerating in Europe." says Randstad CEO Jacques van den Broek "I am proud that, given the ongoing uncertain macro environment, we have achieved a 4.5% EBITA margin in 2015, in line with our guidance. Furthermore, we welcome all employees of the Proffice Group to Randstad and look forward to creating a leading player in the Nordics. Lastly, we have strengthened the continuity agreement with our founder Frits Goldschmeding, safeguarding the heritage and the values bestowed on us, now and in the future."

 

Results by country

 

North America

In North America, revenue growth was 4% year-on-year (Q3 2015: up 4%), against a 1% tougher comparison base. Reported revenue was 18% above Q4 2014. Gross profit growth was 9% (Q3 2015: up 9%), with 10% growth in perm fees (Q3 2015: up 9%).

 

In Q4 2015, combined US businesses grew 5% (Q3 2015: up 5%), with US Staffing/Inhouse growing by 7% (Q3 2015: up 6%). US Professionals revenue was flat year-on-year (Q3 2015: up 2%). Randstad Sourceright North America reported 16% net fee growth (Q3 2015: up 17%). In Canada, revenue declined by 2% (Q3 2015: down 4%), remaining ahead of a challenging market. Underlying EBITA margin for the region increased from 5.3% last year to 5.6% in Q4 2015.

 

Netherlands

In the Netherlands, revenue was up 9% year-on-year (Q3 2015: up 10%), on a 1% tougher comparison base. Overall perm fee growth was 3% (Q3 2015: up 28%). Staffing and Inhouse businesses grew 7% (Q3 2015: up 9%), with growth impacted by price pressure. The Professionals business continued its strong growth, and was up 21% (Q3 2015: up 20%). EBITA margin in the Netherlands was 6.7%, compared to 6.9% last year.

 

France

In France, revenue accelerated, with growth of 10% (Q3 2015: 3%), ahead of the market. Staffing and Inhouse revenue increased 10% (Q3 2015: up 3%), with automotive and construction improving. The Professionals business was up 10%, driven by healthcare. Perm fees were up 29% compared to last year (Q3 2015: up 23%). Our EBITA margin was 5.2%, compared to 5.7% last year.

 

Germany

In Germany, revenue per working day was up 1% year-on-year (Q3 2015: +2%). The combined Staffing and Inhouse business was up 2% (Q2 2015: up 2%), while Professionals was down 1% (Q3 2015: up 1%). Gross profit growth accelerated to 13% in the quarter (Q3 2015: up 2%). Q4 2014 was impacted by the 13 week ruling on holiday and sick pay. Underlying EBITA margin in Germany improved to 5.6%, compared to 3.3% last year.

 

Belgium & Luxembourg

In Belgium & Luxembourg, revenue per working day grew significantly by 6% (Q3 2015: up 1%). The Staffing/Inhouse business grew 8% (Q3 2015: up 1%), while the Professionals business was down 5% (Q3 2015: down 7%). Overall, our focus on client profitability, combined with strong cost control, is paying off. Gross profit increased by 8% (Q3 2015: up 6%), while EBITA margin moved up to 6.5%, from 5.7% last year.

 

Iberia

In Iberia, revenue growth improved further, and was up 11% (Q3 2015: up 8%), with gross profit growth of 13% (Q3 2015: up 10%). Spain was up 16% (Q3 2015: up 12%), with Staffing/Inhouse combined growing 15% (Q3 2015: up 12%). Our focus on permanent placements (up 39%) and Professionals (up 61%) continued to pay off. In Portugal, revenue improved by 1% (Q3 2015: down 2%). However, as a result of the company's focus on client profitability, gross profit growth accelerated to 18%. Overall underlying EBITA margin was 5.2% in Q4 2015, compared to 4.6% in the same period last year.

 

United Kingdom

Revenue per working day in the UK was down 4% compared to the prior year (Q3 2015: up 1%). Gross profit growth was flat year-on-year (Q3 2015: up 2%). Overall perm fee growth was up 11% year-on-year (Q3 2015: up 4%). The specialties businesses performed well in an increasingly challenging market environment. EBITA margin continued to improve, now at 3.6% from 1.8% last year.

 

Other European countries

Across 'Other European countries', revenue per working day grew by 13% (Q3 2015: up 11%). This was supported by solid growth continuing in Italy, which was up 19% (Q3 2015: up 20%). In Poland, revenue growth continued to +10% (Q3 2015: up 7%). Revenue in the Swiss business was up 3% year-on-year, still ahead of a difficult market (Q3 2015: 0%). In the Nordics, revenue growth was 7% (Q3 2015: up 11%). Overall EBITA margin was 4.4% (Q4 2014: 4.9%).

 

Rest of the world

Overall revenue in the 'Rest of the world' region grew 7% organically, on a 3% tougher comparison base (Q3 2015: up 11%). In Japan, revenue grew by 1% (Q3 2015: up 6%). Revenue in Australia/New Zealand grew by 5% (Q3 2015: up 11%), and China improved to 7% growth year-on-year, against an 8% tougher comparison base (Q3 2015: up 27%). Our business in India continued to show good growth at 11% (Q3 2015: up 16%), while Latin America was stable with growth of 15% (Q3 2015: up 15%), driven by Argentina and Chile. Overall, EBITA margin in this region improved to 1.5%, from 0.5% last year.

Source-https://www.recruitment-international.co.uk/blog/2016/02/randstad-gross-profit-up-6-dot-9-percent-in-q4-2015

Bangladesh has chosen to deploy IFS Applications™ 9

Bangladesh has chosen to deploy IFS Applications™ 9

ERP Solutions 

Hamid Fabrics Selects IFS Applications 9

IFS Secures Bangladeshi Textile Giant Hamid Fabrics



IFS, the global enterprise applications company, has announced that Hamid Fabrics of Bangladesh has chosen to deployIFS Applications9. 
Md. Shajahan Ahmed 
Business Development Manager 
Bangladesh 
(BD) 01670972025
shajahan.ahmed@ifsworld.com
www.IFSWORLD.com

ওয়ার্কশপে রেল কামরায় বিবস্ত্র তরুণী

মেরামতির জন্য সবে একটি কামরাকে ক্রেনে ঝোলানো হয়েছে। তখনই ভিতর থেকে গোঙানির আওয়াজ। লিলুয়া ওয়ার্কশপের কর্মীরা প্রথমে হকচকিয়ে গিয়েছিলেন। সম্বিৎ ফেরায় চিৎকার করে ক্রেনচালককে কামরাটি নামাতে বলেন। দরজা খুলে দেখা যায়, বাঙ্কে এক তরুণী প্রায় বিবস্ত্র অবস্থায় শুয়ে কাতরাচ্ছেন। কামরায় তাঁর পোশাক ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে খবর যায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে। জানানো হয় রেলের সিভিল ডিফেন্সকেও। বেলা দেড়টা নাগাদ সিভিল ডিফেন্সের মহিলা কর্মীরা অসুস্থ ওই তরুণীকে পোশাক পরিয়ে পাঠিয়ে দেন লিলুয়া রেল হাসপাতালে।
বুধবার দুপুরের এই ঘটনা কার্যত রেলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন তুলে দিল। নিয়ম অনুযায়ী, যে কোনও দূরপাল্লার ট্রেনের প্রতিটি কামরায় কিছু পড়ে আছে কি না খুঁটিয়ে দেখার পরে দরজা বন্ধ করে সেটি কারশেডে পাঠানো হয়। সেখানে ফের যান্ত্রিক ব্যবস্থার পরীক্ষা হয়। কোনও কামরার মেরামতি প্রয়োজন হলে সেটি ওর্য়াকশপে যায়।
রেল সূত্রে খবর, যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ায় ইআর-৯২৪৮৬ জিএস নম্বরের কামরাটি সোমবার সকাল থেকেই টিকিয়াপাড়া কারশেডে আলাদা করে রাখা ছিল। এ দিন ভোরে সেটি লিলুয়া ওয়ার্কশপে আনা হয়। ট্রেনটি হাওড়া স্টেশন ছেড়ে যাওয়ার সময়েই যদি ওই তরুণী কোনও ভাবে কামরায় থেকে গিয়ে থাকেন, তবে কারশেডে পরীক্ষার সময়ে রেলকর্মীদের চোখে পড়ার কথা। প্রশ্ন হল, এ ক্ষেত্রে কেউ তাঁকে দেখতে পেলেন না কেন? কী করেই বা ওই তরুণী কারশেডের মত অতি সুরক্ষিত জায়গায় ঢুকে পড়লেন? এ ক্ষেত্রে নাশকতার জন্য কোনও শক্তিশালী বিস্ফোরক যদি কামরায় রাখা হত, তা হলে কি তা-ও নজর এড়িয়ে যেত?
হাওড়ার রেল পুলিশ সুপার মেহমুদ আখতার বলেন, ‘‘ওই তরুণী কী করে ওই কামরায় এলেন বলতে পারব না। কারশেড ও ওয়ার্কশপের নিরাপত্তার দায়িত্ব আরপিএফের। বেলুড় জিআরপি ঘটনাটির তদন্ত করছে।’’ কিছু বলতে পারছেন না রেলের কর্তারাও। রেল সূত্রে খবর, মেরামতির সময় হয়ে যাওয়ায় ওই কামরাটিকে ওয়ার্কশপে পাঠানো হয়। ঘটনার পর রেলের ইঞ্জিনিয়ারিং দফতর থেকে শুরু করে আরপিএফ সবাই দায়িত্ব এড়াচ্ছে বলে অভিযোগ। রাতে পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক রবি মহাপাত্র দিল্লি থেকে ফোনে বলেন, ‘‘ঘটনাটি দুঃখজনক। কী করে ওই তরুণী ভিতরে থেকে গিয়েছিলেন তদন্ত চলছে।’’
লিলুয়া আরপিএফের দায়িত্বে থাকা আইসি প্রিয়রঞ্জন বলেন, ‘‘কী করে ওই তরুণী কামরায় ঢুকে পড়েছিলেন তা স্পষ্ট নয়। গাফিলতি থাকলে তদন্ত করে ব্যবস্থা হবে।’’
রেল পুলিশ সূত্রে খবর, ওই অজ্ঞাতপরিচয় তরুণীকে এ দিন সন্ধ্যাতেই লিলুয়া রেল হাসপাতাল থেকে হাওড়া জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সেখানে তাঁর মেডিক্যাল পরীক্ষাও হবে। তাঁর সঙ্গে এখনও কথা বলা যায়নি।
 বিস্তারিত-

শাকিব-পরীর 'ধূমকেতু'র ট্রেলার দেখা হয়েছে ১ লাখ বারের বেশি -


শাকিব খান ও পরীমনি অভিনীত 'ধূমকেতু' ছবির ট্রেলার ইউটিউবে প্রকাশের পর মাত্র ছয়দিনেই তা দেখা হয়েছে ১ লাখেরও বেশিবার। গত ৯ জানুয়ারি ট্রেলারটি ইউটিউবে প্রকাশ করা হয়। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত ইউটিউবে ট্রেলারটি দেখা হয়েছে ১ লাখ ৩৩ হাজার ৮৫১ বার। তবে ট্রেলার প্রকাশ করা হলেও শফিক হাসান পরিচালিত ছবিটির মুক্তির তারিখ এখনও চূড়ান্ত হয়নি। ত্রিভুজ প্রেমের কাহিনীকে কেন্দ্র করে নির্মিত 'ধূমকেতু'তে অভিনয় করেছেন নবাগতা তানহা তাসনিয়া। এতে আরও অভিনয় করেছেন দিতি, অমিত হাসান, আলীরাজ প্রমুখ।

বিটিআরসিতে মুঠোফোন রবি-এয়ারটেল এর ব্যবসা পরিচালনা একীভূত(মার্জার)বিষয়ক গণশুনানি অনুষ্ঠিত

বিটিআরসিতে মুঠোফোন রবি-এয়ারটেল এর ব্যবসা পরিচালনা একীভূত(মার্জার)বিষয়ক গণশুনানি অনুষ্ঠিত

দেশের  অন্যতম দুটি মুঠোফোন অপারেটর রবি আজিয়াটা লিমিটেড ও এয়ারটেল বাংলাদেশ -এর একীভূতকরণ (মার্জার) প্রস্তাবের উপর এক গণশুনানি গতকাল সকালে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)’র প্রধান সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতদবিষয়ে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০০১-এর সংশ্লিষ্ট ধারা ৮৭ মোতাবেক গঠিত তিন সদস্য বিশিষ্ট গণশুনানি কমিটির সভাপতি ও বিটিআরসি চেয়ারম্যান ড. শাহ্জাহান মাহমুদ এতে সভাপতিত্ব করেন। বিটিআরসির অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ এতে উপস্থিত ছিলেন। গণশুনানিতে সাধারণ মোবাইল গ্রাহক/ভোক্তা, বিভিন্ন সরকারি/আধাসরকারি/স্বায়ত্বশাসিত সংস্থা, টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান, কনজিউমার এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ, শিক্ষক-ছাত্র, সাংবাদিক ও মিডিয়াকর্মী, ব্যবসায়ী, উন্নয়নকর্মী, আইনজীবী, সংশ্লিষ্ট পেশাজীবী এবং রবি ও এয়াটেলসহ মোবাইল অপারেটরস/সংগঠনের প্রতিনিধিত্বকারী শতাধিক নিবন্ধনকৃত ব্যক্তি অংশ নেন। উল্লেখ্য, গণশুনানি আয়োজনের লক্ষ্যে ইতোপূর্বেদুইটি বাংলা এবং দুইটি ইংরেজি জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। গণশুনানিতে অংশগ্রহণে ইচ্ছুক সংশ্লিষ্ট সরকারি/আধাসরকারি/স্বায়ত্বশাসিত সংস্থা, টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান, মোবাইল ফোন ব্যবহারকারী, বাংলাদেশের ভোক্তা সংঘ, সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীসহ আগ্রহী যে কোন ব্যক্তিবর্গের নিবন্ধনের লক্ষ্যে কমিশনের ওয়েবসাইটে বর্ণিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ও নিবন্ধন ফর্ম পূরণের ব্যবস্থা করা হয়। এতে ২৮০ জন নিবন্ধন সম্পন্ন করে। যার মাঝ হতে দৈব্যচয়নের মাধ্যমে ১৬৫ জনকে আজ এই গণশুনানিতে অংশগ্রহণের জন্য নির্বাচিত করা হয়।

গত ১৭ সেপ্টেম্বর২০১৫ তারিখে মোবাইলফোন অপারেটর রবি ও এয়ারটেল ব্যবসা পরিচালনা একীভূত করার জন্যকমিশন বরাবর আবেদন করে। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখে অনুষ্ঠিত কমিশনের ১৮৯তম সভায় বেশ কিছুশর্ত প্রতিপালন সাপেক্ষে একীভূত হওয়ার প্রস্তাবটি পূর্বানুমতি গ্রহণের নিমিত্তে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় প্রেরণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এবং শর্ত প্রতিপালনের জন্য প্রতিষ্ঠান দু’টিকে চিঠি দেয়। বাংলাদেশে এই ধরণের বড় দু’টি কোম্পানীর একীভূত হওয়ার ঘটনা মুঠোফোন খাতে প্রথম হওয়ায় কমিশন ১৯২তমবৈঠকে একীভূত হওয়ার আর্থ-সামাজিক ও কারিগরীফলাফল ও প্রতিক্রিয়া কি হতে পারে এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ সমীক্ষা পরিচালনার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

পূর্ণাঙ্গ সমীক্ষা কার্যক্রমটি অত্যন্ত জটিল ও সময় সাপেক্ষ বিধায় কমিশন হতে সমীক্ষা কার্যক্রমকে দুই ভাগে বিভক্ত করে কারিগরী সংক্রান্ত সমীক্ষাসমূহ পরিচালনার দায়িত্ব ড. এবিএম সিদ্দিক হোসেন, অধ্যাপক ও ডীন, প্রকৌশল অনুষদ, আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ এবং কারিগরী বিষয়সমূহ ব্যতিত আর্থ-সামাজিক বিষয়সহ অন্যান্য সমীক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্ব ড. এস. এম মাহফুজুর রহমান, অধ্যাপক, আন্তর্জাতিক ব্যবসা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর নেতৃত্বে দু’টি টিমকে প্রদান করে।

 

পরবর্তীতে গত ২৫ জানুয়ারি ২০১৬ তারিখে মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগ রবি ও এয়ারটেল একীভূতকরণ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কমিশনের মতামত সম্বলিত প্রতিবেদন আগামী ০৭ মার্চ ২০১৬ তারিখের মধ্যে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ বরাবর প্রেরণের জন্য কমিশনকে নির্দেশনা প্রদান করেছে। উক্ত নির্দেশনা মোতাবেক আগামী২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ তারিখের মধ্যে সমীক্ষা প্রতিবেদন জমা প্রদানের জন্য বিশেষজ্ঞ দল দু’টিকে পত্র প্রেরণ করা হয়েছে।

১৯২তম কমিশন সভার সিদ্ধান্ত অনুসারে রবি ও এয়ারটেল-এর একীভূত হওয়ার ব্যাপারে অন্যান্য সকল মোবাইল অপারেটর অর্থাৎ গ্রামীণফোন লিমিটেড, বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশন লিমিটেড, টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড ও প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম লিমিটেড-এর উচ্চ পর্যায়েরপ্রতিনিধিদের সঙ্গে গত ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ সকালে কমিশনে এক সভা করে মতামত গ্রহণ করা হয়েছে।

গণশুনানিতে প্রাপ্ত তথ্য, মতামত ও পরামর্শ,মোবাইল অপারেটরদের প্রদত্ত মতামত, সমীক্ষা প্রতিবেদন ও কমিশনের সকল বিভাগ/শাখার মতামত পর্যালোচনা করে একটি সমন্বিত প্রতিবেদন প্রস্তুত করার জন্য সর্বশেষ ১৯৩তম কমিশন সভার সিদ্ধান্তনুসারে কমিশনার (এসএম) এর সভাপতিত্বে উচ্চ পর্যায়ের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রাপ্ত সকল মতামত, পর্যবেক্ষণ ও তথ্য বিশ্লেষণ এবং পর্যালোচনা করে সুপারিশসহ একটি প্রতিবেদন কমিশন সভায় উপস্থাপন করবে। কমিশন সকল বিষয়াদি পর্যালোচনা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষাপূর্বক একীভূতকরণের বিষয়ে প্রযোজ্য সুপারিশ ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় প্রেরণ করবে।

--তানভীর আনাম

Success Metrics in a World Without Twitter Share Counts

On November 20, 2015, Twitter took away share counts on their buttons and from their accessible free metrics. Site owners lost an easy signal of popularity of their posts. Those of us in the web metrics business scrambled to either remove, change, or find alternatives for the data to serve to our customers. And all those share count buttons, on sites across the Web, started looking a tad ugly:

Where's my shares?

Yep, this is a screenshot from our own site.

Why did Twitter take away this data?

When asked directly, Twitter's statement about the removal of tweet counts has consistently been:

"The Tweet counts alone did not accurately reflect the impact on Twitter of conversation about the content. They are often more misleading to customers than helpful."

On the whole, I agree with Twitter that tweet counts are not a holistic measurement of actual audience engagement. They aren't the end-all-be-all to showing your brand's success on the channel or for the content you're promoting. Instead, they are part of the puzzle — a piece of engagement.

However, if Twitter were really concerned about false success reports, they would've long ago taken away follower counts, the ultimate social media vanity metric. Or taken strong measures to block automated accounts and follower buying. Not taking action against shallow metrics, while "protecting" users from share counts, makes their statement ring hollow.

OMG, did Twitter put out an alternative?

About a year ago, Twitter acquired Gnip, an enterprise metrics solution. Gnip mostly looks to combine social data and integrate it into a brand's customer reputation management software, making for some pretty powerful intelligence about customers and community members. But since it's focused on an enterprise audience, it's priced out of the reach of most brands. Plus, the fact that it's served via API means brands must have the knowledge and development skills/talent in order to really customize the data.

Since the share count shutdown, Gnip released a beta Engagement API and has promised an upcoming Audience API. This API seems to carry all the data you'd need to put those share counts back together. However, an important note: 

"Currently only three metrics are available from the totals endpoint: Favorites, Replies, and Retweets. We are working to make Impressions and Engagements available."

For those of you running to your favorite tools — Gnip's TOS currently forbids the reselling of their data, making it essentially forbidden to integrate into tools, although some companies like Buzzsumo have paid and gotten permission to use the data in their software. The share count removal caused Apple to quietly kill Topsy.

Feel social media's dark side, Twitter

Killing share counts hasn't been without its damage to Twitter as a brand. In his post about brands who's lost and won in Google search, Dr. Pete Meyers notes that Twitter dropped from #6 to #15. That has to hurt their traffic.

Twitter lost as a major brand on Google in 2015

However, Twitter also made a deal with Google in order to show tweets directly in Google searches, which means Twitter's brand may not be as damaged as it appears.

Star Wars tweet stream in Google results

Perhaps the biggest ding to Twitter is in their actual activity and sharing articles on their platform. Shareaholic reports sharing on Twitter is down 11% since the change was implemented.

Share of voice chart on Twitter from Shareaholic

It's hard to sell Twitter as a viable place to invest social media time, energy, and money when there's no easy proof in the pudding. You might have to dig further into your strategy and activities for the answers.

Take back your Twitter metrics!

The bad news: Almost none of these metrics actually replicate or replace the share count metric. Most of them cover only what you tweet, and they don't capture the other places your content's getting shared.

The good news: Some of these are probably better metrics and better goals.

Traffic to your site

Traffic may be an oldie, but it's a goodie. You should probably already be tracking this. And please don't just use Google Analytics' default settings, as they're probably slightly inaccurate.

Google Analytics traffic from Social and Twitter

Some defaults for one of my blogs, since I'm lazy.

Instead, make sure you tag what you're sharing on social media and you'll be better able to attribute your hard, hard work to the proper channels. Then you can really figure out if Twitter is the channel for your brand's content (or if you're using it right).

Use shortening services and their counters

Alternatively, especially if you're sharing content not on your own site, you can use share and click counting from various URL shortening services. But this will only count toward individual links you share.

Bit.ly's analytics around share counts for individual links

Twitter's own free analytics

No, you won't find the share count here, either. Twitter's backends are pretty limited to specific stats on individual tweets and some audience demographics. It can be especially challenging if you have multiple accounts and are working with a team. There is the ability to download reporting for further Excel wizardry.

Tweet impressions and Twitter's other engagement metrics

Twitter's engagement metric is "the number of engagements (clicks, retweets, replies, follows, and likes) divided by the total number of impressions." While this calculation seems like a good idea, it's not my favorite, given the specific calculation's hard to scale as you grow your audience. You're always going to have more lurkers instead of people engaging with your content, and it's going to take a lot of massaging of metric reporting when you explain how you grew your audience and those numbers went down. Or how the company with 100 followers does way better on Twitter's engagement metric.

TrueSocialMetric's engagement numbers

Now these are engagement metrics that you can scale, grow, and compare. Instead of looking at impressions, TrueSocialMetrics gives conversation, amplification, and applause rates for your social networks. This digs into the type of engagement you're having. For example, your conversation rate for Twitter is calculated by taking how many comments you got and dividing it by how many times you tweeted.

TrueSocialMetric's engagement numbers

At Moz, we use a combination of TrueSocialMetrics and traffic to report on the success of our social media efforts to our executives. We may use other metrics internally for testing or for other needs, depending on that specific project.

Twitcount

Shortly after the removal of share counts was announced, Twitcountpopped up. It works by installing their share counters on your site, where it then can surface historical totals. Twitcount's numbers only start counting the day you install the code and the button to your site. There are limitations, since they use Twitter's API, and these limitations may cause data inaccuracies. I haven't used their solution, but if you have, let us know in the comments how it went!

Buffer's reach and RT metrics

Again, this only counts for your individual tweet's metrics, and Buffer only grabs metrics on tweets sent out via their platform. Buffer's reach metric is similar to what many traditional advertisers and people in public relations are used to, and it is similar to Twitter's general impressions metric. Reach looks at how far your tweet has possibly gone due to size of the retweeter's audience.

Like most analytic tools, you can export the metrics and play with them in Excel. Or you can pay for Buffer's business analytics, which runs between $50–$250/month.

Trending topics and hashtag reports

There are many tools out there where you can track specific trends and hashtags around your brand. At MozCon, we know people are tweeting using #MozCon. But not every brand has a special hashtag, or even knows the hot topics around their brand.

SproutSocial's trends report is unique in that it pulls both the topics and hashtags most associated with your brand and the engagement around those.

Obviously, in last July, #MozCon is hot. But you can also see that we have positive community sentiment around our brand by what else is happening.

Buzzsumo

Our friends at Buzzsumo can be used as a Topsy topic replacement and share counter. They did a great write-up on how to use their tool for keyword research. They are providing share counts from Gnip's data.

Share counts from BuzzSumo

Though when I ran some queries on Moz's blog posts, there seemed to be a big gap in their share counts. While we'd expect to see Moz's counts down a bit on the weekends, there would be something there:

BuzzSumo on Moz's share counts over the week

I'm unsure if this is Buzzsumo's or Gnip's data issue. It's also possibly that there are limits on the data, especially since Moz has large numbers of followers and gets large amounts of shares on our posts.

Use Fresh Web Explorer's Mention Authority instead

While Fresh Web Explorer's index only covers recent data — the tool's main function being to find recent mentions of keywords around the web a la Google Alerts — it can be helpful if you're running a campaign and relying on instant data no older than a month. Mention Authority does include social data. (Sorry, the full formula involved with creating the score is one of Moz's few trade secrets.) What's nice about this score is that it's very analogous across different disciplines, especially publicity campaigns, and can serve as a holistic alternative.

Fresh Web Explorer's mention authority

Embedded tweets for social proof

Stealing this one from our friends at Buffer, but if you're looking to get social proof back for people visiting your post, embedded tweets can work well. This allows others to see that your tweet about the post was successful, perhaps choosing to retweet and share with their audience.

Obviously, this won't capture your goals to hand to a boss. But this will display some success and provide an easy share option for people to retweet your brand.

Predictions for the future of Twitter's share count removal

Twitter will see this as a wash for engagement

With the inclusion of tweets directly in Google search results, it balances out the need for direct social proof. That said, with the recent timeline discussions and other changes, people are watching Twitter for any changes, with many predicting the death of Twitter. (Oh, the irony of trending hashtags when #RIPTwitter is popular.)

Twitter may not relent fully, but it may cheapen the product through Gnip. Alternatively, it may release some kind of "sample" share count metric instead. Serving up share count data on all links certainly costs a lot of money from a technical side. I'm sure this removal decision was reached with a "here's how much money we'll save" attached to it.

Questions about Twitter's direction as a business

For a while, Twitter focused itself on being a breaking news business. At SMX East in 2013, Twitter's Richard Alfonsi spoke about Twitter being in competition with media and journalism and being a second screen while consuming other media.

Lack of share counts, however, make it hard for companies to prove direct value. (Though I'm sure there are many advertisers wanting only lead generation and direct sales from the platform.) Small businesses, who can't easily prove other value, aren't going to see an easy investment in the platform.

Not to mention that issues around harassment have caused problems even celebrities with large followings like Sue Perkins (UK comedian), Joss Whedon (director and producer), Zelda Williams (daughter of Robin Williams), and Anne Wheaton (wife of Wil Wheaton). This garners extremely bad publicity for the company, especially when most were active users of Twitter.

No doubt Twitter shareholders are on edge when stock prices went down and the platform added a net of 0 new users in Q4 of 2015. Is the removal of share counts something in the long list of reasons why Twitter didn't grow in Q4? Twitter has made some big revenue and shipping promises to shareholders in response.

Someone will build a tool to scrape Twitter and sell share counts.

When Google rolled out (not provided), every SEO software company clamored to make tools to get around it. Since Gnip data is so expensive, it's pretty impractical for most companies. The only way to actually build this tool would be to scrape all of Twitter, which has many perils. Companies like Hootsuite, Buffer, and SproutSocial are the best set up to do it more easily, but they may not want to anger Twitter.

What are your predictions for Twitter's future without share counts? Did you use the share counts for your brand, and how did you use them? What will you be using instead?

Header image by MKH Marketing.

About EricaMcGillivray — I'm Moz's Senior Community Manager! You may run into me doing my best Roger voice, working on MozCon, or reading your questions on Mozinars. I *heart* our community. In my spare time, I review a lot of comic books and tweet about geeky stuff

Giving Thanks Goes To-https://moz.com/blog/success-metrics-in-a-world-without-twitter-share-counts